Monsoon Update: বিদায় নিচ্ছে বর্ষা, তবে পূর্ব ও মধ্য ভারতে চলবে বৃষ্টি, ২০২৭ পর্যন্ত ভোগাবে এল নিনো

Published : Sep 24, 2026, 11:37 AM IST
Monsoon Update: বিদায় নিচ্ছে বর্ষা, তবে পূর্ব ও মধ্য ভারতে চলবে বৃষ্টি, ২০২৭ পর্যন্ত ভোগাবে এল নিনো

সংক্ষিপ্ত

বর্ষা উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে বিদায় নিতে শুরু করেছে। তবে পূর্ব ও মধ্য ভারতে এখনও বেশ কিছুদিন বৃষ্টি চলবে। দেশে সার্বিক বৃষ্টির ঘাটতি এখন ১৫ শতাংশ। এদিকে দোলাত ক্যাপিটালের রিপোর্ট বলছে, ২০২৭ সাল পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব থাকতে পারে।

বর্ষা উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে বিদায় নিতে শুরু করেছে। তবে শেষ কয়েক সপ্তাহে পূর্ব ও মধ্য ভারতে ভালোই বৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দোলাত ক্যাপিটালের (Dolat Capital) একটি রিপোর্ট বলছে, এল নিনো (El Niño) হঠাৎ করেই বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। আর এর প্রভাব ২০২৭ সাল পর্যন্ত থাকতে পারে।

কোথায় কেমন বৃষ্টি?

রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টির ঘাটতি অনেকটাই কমেছে। আগের সপ্তাহে এই ঘাটতি ছিল ২৯ শতাংশ, যা এখন কমে ২৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ উপদ্বীপেও সামান্য উন্নতি হয়েছে। সেখানে বৃষ্টির ঘাটতি ২৮ শতাংশ থেকে কমে ২৬ শতাংশ হয়েছে।

মধ্য ভারতে বৃষ্টির ঘাটতি মোটামুটি ৬ শতাংশেই আটকে আছে। তবে উত্তর-পশ্চিম ভারতে পরিস্থিতি একটু খারাপ হয়েছে। সেখানে ঘাটতি ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশে পৌঁছেছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, "এই সপ্তাহে সারা দেশে বৃষ্টির ঘাটতি -১৫ শতাংশেই স্থির আছে। বেশিরভাগ জায়গায় বৃষ্টি বাড়ায় ঘাটতি আর নতুন করে বাড়েনি।" তবে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপ পূর্ব উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। স্থলভাগে আছড়ে পড়ার আগে এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে। এর ফলে পূর্ব ও মধ্য ভারতে আগামী কয়েকদিন ভালোই বৃষ্টি হবে।

খারিফ শস্যের কী খবর?

চাষবাসের কথায় এলে, এই সপ্তাহে খারিফ শস্যের বপন বেশ কিছুটা এগিয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ১১০৩.৯ লাখ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ঘাটতি আগের সপ্তাহের ১৬ লাখ হেক্টর থেকে কমে ১৫.১ লাখ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। তবে সব ফসলের ক্ষেত্রে এই উন্নতি সমান নয়।

কোন ফসলের কী অবস্থা?

এই মরশুমে প্রথমবারের মতো তৈলবীজ চাষ গত বছরের তুলনায় সামান্য বেড়েছে। ডাল চাষের জায়গাও মোটামুটি একই আছে। তবে ধান চাষ এখনও পিছিয়ে। ধানের জমির ঘাটতি এই সপ্তাহে আরও বেড়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, "গত বছর ৪৪৫.৯ লাখ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছিল। এবার তা হয়েছে ৪২৯.৩ লাখ হেক্টরে। ফলে ঘাটতি ১৭.০ লাখ হেক্টর থেকে কমে ১৬.৬ লাখ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে।"

অন্যদিকে তুলো চাষের ক্ষেত্রেও কিছুটা ধাক্কা লেগেছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, "গত বছর ১১০.৬ লাখ হেক্টর জমিতে তুলো চাষ হয়েছিল, এবার তা হয়েছে ১০৯.৬ লাখ হেক্টরে। ঘাটতি সেই ১.০ লাখ হেক্টরেই আটকে আছে, যা আগের সপ্তাহের মতোই।" তবে আখ, পাট ও মেস্তা চাষের জমি মোটামুটি একই আছে।

সব মিলিয়ে চাষের কাজ ভালোই এগোচ্ছে। মধ্য ও পশ্চিম ভারতে জলাধারগুলোতে জলের পরিমাণ গত ১০ বছরের গড়ের চেয়ে বেশি আছে। তবে দক্ষিণ উপদ্বীপে চাষের কাজ এবং জলাধারের জলস্তর—দুটোই পিছিয়ে আছে।

এল নিনোর পূর্বাভাস

দোলাত ক্যাপিটাল আরও জানিয়েছে, "এল নিনো এখন অনেকটাই শক্তিশালী। এটি ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এল নিনো হয়ে উঠতে পারে। ২০২৭ সাল পর্যন্ত এর প্রভাব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।"

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

ফার্মহাউসে নিয়ে গিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণ, ধৃতদের মধ্যে ২ জন পুলিশ, ২ জন CRPF কর্মী
মাঝ রাতে এসি বাসে আগুন, ধোঁয়ায় ঢেকে গেল চারদিক! প্রাণ গেল ৯ যাত্রীর