বাণিজ্যিক এলপিজি (LPG) (রান্নার গ্যাস) সরবরাহে চরম বিপর্যয়ের জেরে বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ের খাদ্যশিল্পে বড়সড় ধাক্কা লেগেছে। মঙ্গলবার মুম্বইয়ের হোটেল ও রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশন (AHAR) জানিয়েছে, গ্যাসের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে শহরের প্রায় ২০ শতাংশ হোটেল ও রেস্তোরাঁ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
26
বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি
এই বিষয়ে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহে ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে, অন্যদিকে জ্বালানির আকাশছোঁয়া দাম ও অপ্রতুলতা ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের রেস্তোরাঁগুলোর পিঠ দেওয়ালে ঠেকিয়ে দিয়েছে।
36
গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত মুম্বইয়ের হোটেল শিল্প
তীব্র গ্যাস সংকটের মুখে পড়ে থমকে যেতে বসেছে বাণিজ্য নগরীর লাইফলাইন। ইন্ডিয়ান হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (AHAR) এক সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে যে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শহরের প্রায় ৫০ শতাংশ হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রান্নার গ্যাসের (LPG) সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে ব্যবসায়ীরা আর কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন না।
গ্যাস সংকটে বন্ধের মুখে পরিষেবা। সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি না হলে আগামী দুই দিনের মধ্যে অর্ধেক হোটেল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে। মজুত সংকটে রেস্টুরেন্টগুলিও। বর্তমানে কতগুলো রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকা বর্তমান এলপিজি স্টকের ওপর। ব্যক্তিগতভাবে যাদের কাছে যতটুকু মজুত আছে, তা ফুরিয়ে গেলেই উনুন নিভবে আরও হাজার হাজার রেস্টুরেন্টের।
56
জ্বালানি সংকটে বিপাকে পর্যটকরা
হঠাৎ এই জ্বালানি সংকটে একদিকে যেমন হোটেল মালিকরা বিশাল আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ এবং পর্যটকদের খাদ্য পরিষেবা নিয়েও তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
66
শহরে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট
শহরের রেস্তোরাঁ ও খাদ্যপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রান্নার গ্যাসের জোগান নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। ইন্ডিয়ান হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (AHAR)-এর পক্ষ থেকে দেওয়া এক সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, আচমকা বাণিজ্যিক এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় শহরের ছোট-বড় অসংখ্য দোকানের রান্নাঘরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।