
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন। এদিন আরও বেশ কয়েকজন নতুন নির্বাচিত সদস্য উচ্চকক্ষে শপথ নেন। নীতিন নবীন সংসদে পৌঁছলে তাঁকে স্বাগত জানান বিজেপি সাংসদ অরুণ সিং।
বর্তমানে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্বে থাকা নীতিন নবীন খুব অল্প বয়সেই নির্বাচনী রাজনীতিতে পা রাখেন। ২০০৬ সালে তিনি প্রথমবার পাটনা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিহার বিধানসভায় নির্বাচিত হন। এরপর ২০১০ সাল থেকে তিনি বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টানা জিতে আসছেন। ২০১০, ২০১৫, ২০২০ এবং ২০২৫ সালে জয়ী হয়ে তিনি একটানা পাঁচবারের বিধায়ক হন। দলের সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি বিহার সরকারের মন্ত্রীও ছিলেন।
এর আগে বুধবার, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরী।
তিনি নীতীশ কুমারের জায়গায় এলেন, যিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পাটনার লোক ভবনে সম্রাট চৌধুরীকে শপথবাক্য পাঠ করান বিহারের রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হাসনাইন। নীতীশ কুমারের পদত্যাগের পর তিনিই বিহারের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হলেন।
৫৭ বছর বয়সী সম্রাটের সামনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কারণ তিনি এমন একজনের উত্তরসূরি হচ্ছেন, যিনি ২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ-র ঐতিহাসিক জয়ের পর রেকর্ড দশমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।
সম্রাট চৌধুরীর এই উত্থান নীতীশ কুমারের "সুশাসন"-এর যুগের অবসান এবং বিহারে এনডিএ-র জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
জোটের ভারসাম্য বজায় রাখতে, জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর বর্ষীয়ান নেতা তথা বিহারের অর্থমন্ত্রী বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদব এবং দলের আরেক নেতা বিজয় কুমার চৌধুরীও বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।