Nuclear Tender: ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিউক্লিয়ার টেন্ডার ডাকছে ভারত, অঙ্কটা ২৮,০০০ কোটি টাকার বেশি?

Published : Jul 15, 2026, 03:00 PM IST
Nuclear Tender: ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিউক্লিয়ার টেন্ডার ডাকছে ভারত, অঙ্কটা ২৮,০০০ কোটি টাকার বেশি?

সংক্ষিপ্ত

Nuclear Tender: ভারত তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিউক্লিয়ার টেন্ডার ডাকতে চলেছে। রাজস্থানের মাহি বনসওয়াড়া অ্যাটমিক পাওয়ার প্রোজেক্টে চারটি ৭০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রিয়্যাক্টর বসানোর জন্য এই টেন্ডারের মূল্য প্রায় ২৮,০০০ কোটি টাকারও বেশি। দেশের পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রে এটি একটি বিশাল পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Nuclear Tender: ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিউক্লিয়ার টেন্ডার ডাকছে ভারত। নিঃসন্দেহে ভারত তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিউক্লিয়ার আইল্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রোকিওরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন (EPC) টেন্ডার ডাকতে চলেছে। নিজস্ব প্রেসারাইজড হেভি ওয়াটার রিয়্যাক্টর (PHWR) প্রোগ্রামের জন্য ২৮,০০০ কোটি টাকারও বেশি এই টেন্ডারটি ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে এটি একটি বড়সড় পদক্ষেপ।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (NPCIL) একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছে, তাদের শাখা সংস্থা এবং এনটিপিসি লিমিটেডের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি অনুশক্তি বিদ্যুৎ নিগম লিমিটেড (ASHVINI) এই টেন্ডারটি প্রকাশ করা হবে। রাজস্থানের মাহি বনসওয়াড়া অ্যাটমিক পাওয়ার প্রোজেক্টের (MBRAPP) ১-৪ ইউনিটের জন্য এই নিউক্লিয়ার আইল্যান্ড মেগা ইপিসি প্যাকেজের (NIMEP) জন্য দরপত্র চাওয়া হবে। এখানে ৭০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার চারটি রিয়্যাক্টর বসানো হবে।

আত্মনির্ভর উৎপাদনে জোর

NPCIL জানিয়েছে, “এই প্যাকেজের মধ্যে চারটি ৭০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার PHWR ইউনিটের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং, উৎপাদন, সরবরাহ, সিভিল কনস্ট্রাকশন, ইনস্টলেশন, টেস্টিং এবং কমিশনিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।” NPCIL আরও জানিয়েছে যে, ২৮,০০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের এই প্যাকেজটি ভারতের নিজস্ব PHWR প্রোগ্রামের জন্য এখনও পর্যন্ত ডাকা সবচেয়ে বড় নিউক্লিয়ার আইল্যান্ড ইপিসি প্যাকেজ।

পরিবেশবান্ধব শক্তিতে লক্ষ্যপূরণ

NPCIL-এর মতে, এই প্রকল্পটি ভারতের নিজস্ব পারমাণবিক উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে, উন্নত ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতাকে উৎসাহ দেবে এবং দেশের পরিবেশবান্ধব শক্তিতে উত্তরণের প্রক্রিয়াকে দ্রুত করবে। কর্পোরেশন জানিয়েছে, এই উদ্যোগ দেশের অন্যতম বৃহৎ পারমাণবিক পরিকাঠামো প্রকল্পে ভারতীয় সংস্থাগুলির অংশগ্রহণের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করবে।

ভারতের পারমাণবিক ক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য

NPCIL তরফে বলা হয়েছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনের যে জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, সেই দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই টেন্ডার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ইনস্টল করা পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৮.৭৮ গিগাওয়াট। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে দেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি ৫৬,৬৮১ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। ভারতের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে পারমাণবিক শক্তির অবদান বরাবরই প্রায় ৩ শতাংশ, এবং ২০২৪-২৫ সালে এই হার ছিল ৩.১%।

ভারত সরকার আরও জানিয়েছে যে, আগামী বছরগুলিতে ভারতের পারমাণবিক ক্ষমতা প্রায় তিনগুণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশীয় ৭০০ মেগাওয়াট রিয়্যাক্টর এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় তৈরি ১,০০০ মেগাওয়াট রিয়্যাক্টরের মাধ্যমে ২০৩১-৩২ সালের মধ্যে দেশের ইনস্টল করা পারমাণবিক ক্ষমতা ২২.৩৮ গিগাওয়াটে পৌঁছবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে অসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার জন্য ভারত ১৮টি দেশের সঙ্গে আন্তঃসরকারি চুক্তি (IGA) স্বাক্ষর করেছে, যা ভারতের পারমাণবিক কর্মসূচির উপর ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক আস্থারই প্রতিফলন। (ANI)

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

IRCTC new website launches: টিকিট বুকিংয়ের সব সমস্যার সমাধান! সব কাজ হবে এক ক্লিকেই
Jaishankar in Brussels: ইইউ-এর সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে ব্রাসেলসে জয়শঙ্কর, একাধিক বৈঠক