Fasal Bima Yojana: কৃষকরা মাত্র ২০০ টাকা দিন, সরকার বাকি ৯,৮০০ টাকা দেবে, বিরাট সুযোগ

Published : Aug 01, 2026, 12:18 PM IST

কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার (Pradhan Mantri Fasal Bima Yojana) অধীনে খারিফ ২০২৬ মরসুমের জন্য ফসল বিমার আবেদনের শেষ তারিখ বাড়িয়ে ১৬ আগস্ট, ২০২৬ পর্যন্ত করেছে।

PREV
17

কৃষকদের জন্য সুখবর। আপনি যদি এখনও আপনার ফসলের বিমা না করে থাকেন, তবে এখন আপনার হাতে আরও সময় আছে। কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার (Pradhan Mantri Fasal Bima Yojana) অধীনে খারিফ ২০২৬ মরসুমের জন্য ফসল বিমার আবেদনের শেষ তারিখ বাড়িয়ে ১৬ আগস্ট, ২০২৬ পর্যন্ত করেছে। এর ফলে সেইসব কৃষকরা উপকৃত হবেন, যারা কোনও কারণে শেষ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে পারেননি।

27

এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলের ক্ষতি হলে কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা, যাতে ক্ষতির ক্ষতিপূরণ হয় এবং কৃষিকাজ যাতে ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করা। ঋণগ্রহীতা, ঋণমুক্ত কৃষক এবং বর্গাচাষী—সকলেই এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। সরকার কৃষকদের শেষ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা না করে সময়মতো বীমা করিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে।

37

এই বিমা প্রকল্পের আওতায় কী কী ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত?

প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা শুধুমাত্র ফসলের ক্ষতিই কভার করে না। খারাপ আবহাওয়ার কারণে বীজ বপন করা সম্ভব না হলে, বন্যা, খরা, শিলাবৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড়, জলাবদ্ধতা বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলে, অথবা ফসল কাটার পরেও প্রাকৃতিক কারণে ক্ষতি হলে, এই প্রকল্পের অধীনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা যেতে পারে। সরকারের উদ্দেশ্য হল কৃষকদের আয় রক্ষা করা এবং কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত ঝুঁকি হ্রাস করা।

47

কৃষকরা ২০২৬ সালের ১৬ আগস্ট পর্যন্ত জাতীয় শস্য বিমা পোর্টাল, নিকটতম ব্যাঙ্ক, সমবায় সমিতি, কমন সার্ভিস সেন্টার (সিএসসি) বা অন্যান্য অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শস্য বিমা করতে পারবেন। যেসব কৃষকের কোনও ঋণ নেই, তাঁদের জন্য একটি এগ্রিস্ট্যাক আইডি প্রয়োজন। বিমাকৃত ফসলের নামে যে কোনও পরিবর্তন ১৪ আগস্টের মধ্যে করা যাবে। যেসব কৃষক এই প্রকল্প থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করতে চান, তারা ৯ আগস্টের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে একটি ঘোষণাপত্র জমা দিয়ে তা করতে পারবেন।

57

কৃষকদের কত প্রিমিয়াম দিতে হবে?

এই প্রকল্পটি কৃষকদের উপর কোনও উল্লেখযোগ্য আর্থিক বোঝা চাপায় না। খারিফ শস্য, ডাল এবং তৈলবীজের জন্য কৃষকরা মাত্র ২% প্রিমিয়াম দেন। রবি শস্যের জন্য প্রিমিয়াম হল ১.৫%, এবং বাণিজ্যিক বা উদ্যানজাত শস্যের জন্য এটি ৫%। বাকি প্রিমিয়াম কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার যৌথভাবে পরিশোধ করে। এর ফলে কৃষকরা কম খরচে তাঁদের ফসলের বিমা করতে পারেন।

67

উদাহরণস্বরূপ, এই প্রকল্পের অধীনে কৃষকদের সম্পূর্ণ বিমা প্রিমিয়াম দিতে হয় না। ধরুন আপনার খরিফ শস্য বিমার প্রিমিয়াম ১০,০০০ টাকা, সেক্ষেত্রে আপনাকে মাত্র ২%, অর্থাৎ ২০০ টাকা দিতে হবে। বাকি ৯,৮০০ টাকা কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার দেবে। একইভাবে, রবি শস্যের জন্য কৃষক ১.৫% এবং উদ্যানজাত বা বাণিজ্যিক শস্যের জন্য ৫% প্রিমিয়াম প্রদান করেন, আর বাকি অর্থ সরকার বহন করে। এর ফলে কম খরচে শস্য বিমা নিশ্চিত হয়।

77

আপনি যদি শস্য বিমা কিনে থাকেন, তবে ঘরে বসেই অনলাইনে আপনার দাবির তথ্য দেখতে পারেন। এর জন্য, প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান। আপনার মোবাইল নম্বর এবং ওটিপি ব্যবহার করে ফার্মার্স কর্নারে লগইন করুন। ‘ক্লেম স্ট্যাটাস’ বা ‘অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস’ বিকল্পটি বেছে নিন এবং প্রাসঙ্গিক বছর ও ঋতু নির্বাচন করুন। এরপর আপনার তথ্য স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে। আপনার কোনও সমস্যা হলে, আপনি হেল্পলাইন নম্বর ১৪৪৪৭-এও সহায়তা চাইতে পারেন। সরকারের মতে, আবেদন থেকে শুরু করে দাবি পর্যন্ত বেশিরভাগ প্রক্রিয়া এখন অনলাইনে সম্পন্ন হয়, যার ফলে কৃষকদের বারবার সরকারি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories