
PM Modi: আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি অসম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার অসমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিমান অবতরণ করবে জাতীয় সড়কে। ঠিকই পড়েছেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী বিমান থামবে অসমের মোরানের জাতীয় সড়কে। সেই দিকে মাথায় রেখে জাতীয় সড়কের একটি অংশকে অস্থায়ী বিমান অবতরণ ক্ষেত্র হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রীর বিমান এবং ভারতীয় বায়ুসেনার একাধিক যুদ্ধবিমান সেখানে ওঠানামা করতে পারবে। সেখানে বায়ুসেনার একটি এয়ার শো-এরও আয়োজন করা হয়েছে। গুয়াহাটি যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী সেই এয়ার শো দেখবেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এমন কথাই ঘোষণা করলেন।
মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, আগামী শনিবার প্রধানমন্ত্রী সকাল প্রায় ৯টা ৫০ মিনিটে চাবুয়া বিমানবন্দরে পৌঁছবেন এবং সেখান থেকে মোরানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। তিনি প্রায় সকাল ১০টার মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের ৩০ মিনিটের মধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানগুলির একটি এয়ার শো অনুষ্ঠিত হবে। সাম্প্রতিক গুয়াহাটি এয়ার শো-তে প্রদর্শিত যুদ্ধবিমানের মতোই ফাইটার জেট এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবে। প্রদর্শনের অংশ হিসেবে কয়েকটি বিমান মোরানের রানওয়েতেও অবতরণ করবে বলে জানা গিয়েছে। এই ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে অসমের মোরানে একটি হাইওয়ের অংশে ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) বিমান অবতরণ ও উড্ডয়নের মহড়া চালাচ্ছে। এই অবতরণ জরুরি প্রস্তুতি ও কৌশলগত গতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদর্শন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর অসম সফরকে 'ঐতিহাসিক' মুহূর্ত বলে বর্ণনা করে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, জাতীয় সড়কে PM-র বিমান অবতরণ রাজ্যের পরিকাঠামোগত সক্ষমতার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সঙ্গে তিনি জানান, মোরানে কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী গুয়াহাটিতে যাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ব্রহ্মপুত্র নদের উপর নির্মিত গুয়াহাটি-নর্থ গুয়াহাটি সেতুর উদ্বোধন করবেন। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এই সেতুকে 'স্থাপত্যের বিস্ময়' বলে উল্লেখ করেন এবং জানান, এটি দেশের হাতে গোনা কয়েকটি বড় সেতুর মধ্যে একটি, যা রাজ্যের পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট সম্পূর্ণ করেছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, শুরুতে সেতুটি সাধারণ মানুষের জন্য পায়ে হেঁটে চলাচলের উদ্দেশ্যে খুলে দেওয়া হবে, যাতে দর্শনার্থীরা যান চলাচল শুরুর আগে পরিকাঠামোটি কাছ থেকে দেখতে পারেন। এরপর আগামী পয়লা মার্চ থেকে সেতুতে যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।