বাড়ির বিদ্যুৎ বিল শূন্য! ১ লক্ষ টাকার বেশি ভর্তুকি দেবে সরকার, কীভাবে জানুন

Published : Sep 09, 2026, 11:45 AM IST

বিদ্যুতের বিল নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন? বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসালে বিদ্যুতের খরচ অনেকটাই কমানো সম্ভব। এমনকী, উপযুক্ত পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিল শূন্যের কাছাকাছিও নামিয়ে আনা যেতে পারে।

PREV
16

বিদ্যুতের বিল নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন? বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসালে বিদ্যুতের খরচ অনেকটাই কমানো সম্ভব। এমনকী, উপযুক্ত পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিল শূন্যের কাছাকাছিও নামিয়ে আনা যেতে পারে। সোলার প্যানেল বসানোর জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তরফে দেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের ভর্তুকিও। উত্তরপ্রদেশে বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর ক্ষেত্রে কেন্দ্রের ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর’ প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের UPNEDA প্রকল্পের সুবিধাও পাওয়া যায়। UPNEDA-এর আওতায় প্রতি কিলোওয়াটের জন্য ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রাজ্য ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।

26

কেন্দ্র ও উত্তরপ্রদেশ সরকারের দুই প্রকল্পের সুবিধা একসঙ্গে নিলে ভর্তুকির পরিমাণ হতে পারে—

১ কিলোওয়াট: কেন্দ্রের ৩০,০০০ টাকা + রাজ্যের ১৫,০০০ টাকা = মোট ৪৫,০০০ টাকা

২ কিলোওয়াট: কেন্দ্রের ৬০,০০০ টাকা + রাজ্যের ৩০,০০০ টাকা = মোট ৯০,০০০ টাকা

৩ কিলোওয়াট: কেন্দ্রের ৭৮,০০০ টাকা + রাজ্যের ৩০,০০০ টাকা = মোট ১,০৮,০০০ টাকা

এর বেশি ক্ষমতার সোলার প্যানেলও বাড়ির বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ অনুযায়ী বসানো যায়। তবে ভর্তুকি সর্বোচ্চ ৩ কিলোওয়াট পর্যন্তই পাওয়া যাবে।

36

কীভাবে আবেদন করবেন?

প্রথমে প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের পোর্টালে গিয়ে ‘Apply for Rooftop Solar’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর রাজ্য হিসেবে উত্তরপ্রদেশ এবং নিজের বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা নির্বাচন করে কনজিউমার নম্বর, মোবাইল নম্বর ও ই-মেল দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের পর লগইন করে কত কিলোওয়াটের সোলার সিস্টেম বসাতে চান, তা জানিয়ে আবেদন করতে হবে। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ বিল এবং প্রয়োজনীয় নথিও আপলোড করতে হবে। আবেদন করার পর স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা বা DISCOM আপনার বাড়ি ও বিদ্যুৎ সংযোগ পরীক্ষা করবে। সোলার সিস্টেম বসানোর জন্য আপনার অনুমোদিত লোড যথেষ্ট কি না, সেটিও যাচাই করা হবে।

DISCOM-এর অনুমোদন পাওয়ার পর সরকারি পোর্টালে তালিকাভুক্ত কোনও রেজিস্টার্ড ভেন্ডর বেছে নিয়ে সোলার প্যানেল বসাতে হবে। ভর্তুকি পেতে হলে সরকারি পোর্টালে নথিভুক্ত ভেন্ডরের কাছ থেকেই সোলার প্ল্যান্ট বসানো প্রয়োজন। ভেন্ডর সোলার প্যানেল, ইনভার্টার ও নেট মিটারিংয়ের ব্যবস্থা করবে। সোলার সিস্টেম বসানোর পর ভেন্ডর পোর্টালে তার তথ্য আপলোড করবেন। এরপর DISCOM-এর আধিকারিক নেট মিটার বসিয়ে গোটা সিস্টেম পরীক্ষা করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে পোর্টালে কমিশনিং সার্টিফিকেট তৈরি হবে।

46

কবে হাতে আসবে ভর্তুকির টাকা?

কমিশনিং সার্টিফিকেট তৈরি হওয়ার পর পোর্টালে নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং একটি বাতিল চেক আপলোড করতে হবে। নথিপত্র যাচাই হয়ে গেলে ৩০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্রের সর্বোচ্চ ৭৮,০০০ টাকা এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারের সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা ভর্তুকি সরাসরি DBT-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

56

কী কী নথি লাগবে?

  • সোলার প্যানেলের জন্য আবেদন করতে সাধারণত প্রয়োজন হবে—
  • আবেদনকারীর নামে থাকা বিদ্যুৎ বিল
  • কনজিউমার নম্বর ও অনুমোদিত লোডের তথ্য
  • আধার কার্ড
  • প্যান কার্ড
  • ভোটার আইডি
  • বাতিল চেক ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য
  • বাড়ির মালিকানার নথি
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • মোবাইল নম্বর
66

সোলার প্যানেল বসাতে কত খরচ?

১ কিলোওয়াট: ৫৫,০০০ থেকে ৭৫,০০০ টাকা

২ কিলোওয়াট: ১.১০ লক্ষ থেকে ১.৪০ লক্ষ টাকা

৩ কিলোওয়াট: প্রায় ১.৬০ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা

তবে প্রকৃত খরচ প্যানেল, ইনভার্টার, ইনস্টলেশন ও অন্যান্য সরঞ্জামের মান এবং ভেন্ডরের উপর নির্ভর করতে পারে। অর্থাৎ, উত্তরপ্রদেশের যোগ্য পরিবারের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ভর্তুকি একত্রে নিয়ে বাড়িতে সোলার প্যানেল বসানোর খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ফলে মাসিক বিদ্যুৎ বিলও অনেকটাই কমতে পারে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories