Sonam Raghuvanshi Bail: নীল ড্রামে রেখেছিলেন স্বামীকে! জামিন পেলেন সেই সোনম রঘুবংশী, কী কী ভুল ছিল পুলিশের?

Published : Apr 29, 2026, 11:54 AM IST

ইন্দোরের ব্যবসায়ী রাজা রঘুবংশী খুনের মামলায় অভিযুক্ত স্ত্রী সোনম রঘুবংশী জামিন পেয়েছেন। কিন্তু কীভাবে? শিলং কোর্ট কেন জামিন দিল? জানা গেল, পুলিশের কয়েকটি বড় ভুলেই পুরো কেস ঘুরে গিয়েছে।

PREV
17
শিলং কোর্ট কেন সোনমকে জামিন দিল?

ইন্দোরের রাজা রঘুবংশী হত্যাকাণ্ড আবার চর্চায়। কারণ, মেঘালয়ে হানিমুনে গিয়ে স্বামী রাজাকে খুনের মূল অভিযুক্ত স্ত্রী সোনম রঘুবংশী প্রায় ১১ মাস পর শিলং কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। সারা দেশের মানুষ প্রশ্ন তুলছে, একজন খুনিকে কীসের ভিত্তিতে আদালত জামিন দিল? কিন্তু এক্ষেত্রে আদালতের কোনও ভুল নেই। পুলিশি তদন্তে এমন ৪-৫টি ভুল ছিল, যা শুনানির সময় সোনমের পক্ষে যায় এবং সে জামিন পেয়ে যায়।

27
পুলিশের প্রথম ভুল, যা নিয়ে কোর্ট প্রশ্ন তোলে
আদালত তার নির্দেশে জানিয়েছে, সোনম রঘুবংশীর কেস ডায়েরি এবং গ্রেফতারির কাগজপত্রে গরমিল পাওয়া গিয়েছে। কাগজপত্রে ৪০৩(১) ধারা লেখা থাকলেও, আসলে ১০৩(১) ধারা লাগানোর কথা ছিল। তদন্তের সময় এই গুরুতর ভুল সোনমের পক্ষে যায়।
37
সোনমকে জামিন পেতে সাহায্য করে পুলিশের দ্বিতীয় ভুল
জামিনের শুনানির সময় সোনমের আইনজীবী যুক্তি দেন, ২০২৫ সালের ৭ জুন যখন সোনমকে গাজিপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়, তখন ডায়েরিতে তার সময় ও কারণ স্পষ্ট করে লেখা ছিল না। আদালত এই নথিতেও বড়সড় গরমিল খুঁজে পায়।
47
পুলিশের তৃতীয় ভুলে সোনমের জামিনের পথ আরও সহজ হয়
কোর্ট জানায়, যে খুনের অভিযোগে সোনমকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেটি বিএনএসএস-এর ১০৩(১) ধারার অধীনে বলা হলেও, গ্রেফতারির সময় সোনমকে দেখানো কাগজে সেই ধারা উল্লেখই ছিল না। আইন অনুযায়ী, পুলিশ অভিযুক্তকে তার অপরাধ ও ধারা সম্পর্কে জানাতে বাধ্য। কিন্তু পুলিশ এখানেও গুরুতর ভুল করে।
57
আইনজীবী না পাওয়াও সোনম রঘুবংশীর জন্য প্লাস পয়েন্ট হয়ে ওঠে
শিলং কোর্ট তার নির্দেশে আরও জানায়, পুলিশের ডায়েরিতে এমন কোনও রেকর্ড নেই যা প্রমাণ করে যে গ্রেফতারির পর সোনমকে আইনজীবীর সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, গাজিপুরে প্রথমবার পেশ করার সময় তার কাছে আইনি পরামর্শের জন্য উকিল ছিল কি না, তার কোনও প্রমাণ মেলেনি।
67
কী এই রাজা রঘুবংশী মার্ডার কেস?
২০২৫ সালের ১১ মে ইন্দোরের ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী রাজা রঘুবংশীর সঙ্গে সোনমের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর দম্পতি হানিমুনের জন্য মেঘালয়ে যান। ২৩ মে হঠাৎ রাজা নিখোঁজ হয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২ জুন পূর্ব খাসি হিলস জেলার সোহরা (চেরাপুঞ্জি)-র এক গভীর খাদ থেকে রাজার দেহ উদ্ধার হয়। খুনের অভিযোগ ওঠে স্ত্রী সোনম ও তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এরপর ৮ জুন গাজিপুর থেকে সোনমকে গ্রেফতার করা হয়। তখন থেকেই সে শিলং জেলে বন্দি ছিল।
77
এরপর কী?
সোনম রঘুবংশীর জামিনের খবরে ভেঙে পড়েছেন রাজা রঘুবংশীর পরিবারের সদস্যরা। মা উমা রঘুবংশী কাঁদতে কাঁদতে বলেন, "টাকার জোরে সব হয়। খুনিও ছাড়া পেয়ে যায়।" রাজার ভাই বিপিন মিডিয়াকে জানিয়েছেন, তারা সোনমের জামিনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বাবা অশোক রঘুবংশীও বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়েছেন বলে জানান।
Read more Photos on
click me!

Recommended Stories