- Home
- India News
- Kerala Rain: কেরলে ভয়াবহ বৃষ্টির ভ্রুকুটি! এর্নাকুলাম ও ইদুক্কিতে জারি হল অরেঞ্জ অ্যালার্ট
Kerala Rain: কেরলে ভয়াবহ বৃষ্টির ভ্রুকুটি! এর্নাকুলাম ও ইদুক্কিতে জারি হল অরেঞ্জ অ্যালার্ট
কেরলে ফের একবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। একাধিক জেলায় অরেঞ্জ ও ইয়েলো অ্যালার্ট জারি করেছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং আবহাওয়ার খবরের দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়েছে, শুক্রবার কেরলের বেশ কিছু অংশে ভারী বৃষ্টি হবে। এর্নাকুলাম ও ইদুক্কি জেলার জন্য অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে, যা অতি ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত দেয়।
১২ জুন পথনমথিট্টা, আলাপুঝা, কোট্টায়াম, ত্রিশূর, কন্নুর এবং কাসারগড় জেলায় ইয়েলো অ্যালার্ট ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের জন্য বিভিন্ন জেলায় আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অতিরিক্ত সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের মনে করিয়ে দিয়েছে যে, আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুযায়ী সতর্কতা বদলাতে পারে, তাই নিয়মিত সরকারি আপডেটে নজর রাখা জরুরি।

IMD-র শ্রেণীবিভাগ অনুযায়ী:
রেড অ্যালার্ট মানে ২৪ ঘন্টায় ২০৪.৪ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি।
অরেঞ্জ অ্যালার্ট মানে ২৪ ঘন্টায় ১১৫.৬ থেকে ২০৪.৪ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি।
ইয়েলো অ্যালার্ট মানে ২৪ ঘন্টায় ৬৪.৫ থেকে ১১৫.৫ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি।
ভূমিধস-প্রবণ, পাহাড়ি এবং নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির সময় ভূমিধস, কাদা ধস এবং হড়পা বানের মতো বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
নদীর ধারে এবং বাঁধের নিচের দিকের বাসিন্দাদেরও প্রস্তুত থাকতে এবং প্রয়োজনে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কেরল রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বজ্রপাত মানুষ ও পশু উভয়ের জন্যই অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। এটি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং বাড়ির অ্যাপ্লায়েন্সেরও ক্ষতি করতে পারে।
বজ্রপাতের প্রথম লক্ষণ দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির ভেতরে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দুপুর ২টো থেকে রাত ১০টার মধ্যে যখন মেঘ বেশি থাকে, তখন ছাদে, খোলা মাঠে বা খেলার মাঠে যাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।
কিছু জরুরি সতর্কতা:
বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম আনপ্লাগ করুন।
দরজা-জানলা বন্ধ রাখুন।
তারযুক্ত টেলিফোন এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করবেন না।
জলাশয় থেকে দূরে থাকুন এবং বজ্রপাতের সময় স্নান করবেন না।
গাছের নিচে বা উঁচু জায়গায় দাঁড়াবেন না।
বাইরে আটকে পড়লে, ঝড় না থামা পর্যন্ত পা গুটিয়ে নিচু হয়ে বসে থাকুন।
গাড়ির ভেতরে থাকলে ধাতব কিছু স্পর্শ করবেন না।
পোষ্যদের নিরাপদ আশ্রয়ে রাখুন।
কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, বজ্রাঘাতে আহত ব্যক্তির শরীরে বিদ্যুৎ থাকে না। তাই দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দিলে জীবন বাঁচানো সম্ভব। বজ্রপাতের পর প্রথম ৩০ সেকেন্ডকে জীবন বাঁচানোর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।