আগেই দুর্ঘটনার জন্য খারাপ আবহাওয়াকেই দায়ী করছে রাঁচি বিমানন্দরের ডিরেক্টর বিনোদ কুমার। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে তদন্ত। তদন্ত করছে এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো। তদন্তে জানা যায়, ভেঙে পড়া ওই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ছিল না কোনও ব্ল্যাক বক্স। শুধু তাই নয়, চার বছর ব্যবহার করা হয়নি ওই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স।