করোনার নতুন প্রজাতি নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা, মালয়েশিয়া দাবি করেছে এটি সুপার স্প্রেডার

Published : Aug 18, 2020, 05:12 PM ISTUpdated : Aug 18, 2020, 05:48 PM IST
করোনার নতুন প্রজাতি নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা, মালয়েশিয়া দাবি করেছে এটি সুপার স্প্রেডার

সংক্ষিপ্ত

মালয়েশিয়ায় সন্ধান করোনার নতুন প্রজাতির সুপার স্প্রেডার বলেই দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রীর  আশঙ্কার উড়িয়ে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নতুন প্রজাতির মধ্যেই দেখছেন আশার আলো   

করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতি নিয়ে এখনও চিন্তা করার কিছু নেই। রীতিমত আশ্বাস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। মালয়েশিয়াতেই সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল ডি৬১৪জি নামের নতুন স্ট্রেইনের। আর মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রী দাবি করেছিলেন এটি রীতিমত সুপার স্প্রেডার। সংক্রমণের ভয় আরও বেশি রয়েছে বলেই তিনি দাবি করেছিলেন। তাঁর দাবি মেনে নিয়েই বিশেষজ্ঞরা বলছেন অন্যকথা।


সিঙ্গাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ও সংক্রামক রোগের আন্তর্জাতিক সোসাইটির সভাপতি পল ট্যামবিয়া বলেছেন যেসব প্রমাণগুলি পাওয়া গেছে সেগুলি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বিশ্বের কিছু অংশ ডি৬১৪জি নামক নতুন প্রজাতির করোনাভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু এটাই খেয়াল রাখতে হবে যে ওই সব এলাকায় মৃত্যুর হার অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেছেন নতুন এই প্রজাতিটি অনেকটাই কম প্রাণঘাতী। ট্যামবিয়া আরও বলেছেন এটি খুবই ভালো লক্ষণ,  ভাইরাস বেশি সংক্রমক হলে কম মারাত্মক হতে পারে। 

এশিয়া, উত্তর আমেরিয়া ও ইউরোপে করোনাভাইরাসের স্ট্রেইন ডি৬১৪জির সন্ধান পাওয়া গেছে। আর দেখা গেছে এই সব এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হলেও মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম। সিঙ্গাপুরের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে যেকোনও ভাইরাস পরিবর্তিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কম ভাইরাল হতে শুরু করে। তিনি আরও বলেছেন ভাইরাসটি যখন বেশি মানুষকে সংক্রমিত করতে শুরু করে তখন হত্যা করার আগ্রহ কমে যায়। তার প্রধান কারণ ভাইরাস খাবার আর আশ্রয়ের জন্য আশ্রয়দাতার ওপর নির্ভর করে।

১ হাজার কোটি টাকা হাওয়ালাকাণ্ডে চিনা নাগরিকের বিরুদ্ধে ইডির মামলা, চলছে জিজ্ঞাসাবাদও ...

চিনের পাশাপাশি পাকিস্তানের দিকেও নজর, সীমান্তে টহল দিচ্ছে তেজস যুদ্ধ বিমান ...

বিজ্ঞানীরা এই রূপান্তরটি ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকেই আবিষ্কার করেছিল। এটি ইউরোপ আর আমেরিকাতে প্রচার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  ভাইরাসের জিনের পরিবর্তন আরও বেশি মারাত্মক হতে পারে এমন কোনও প্রমাণ নেই বলেই দাবি করা হয়েছে। 

কমোডের মধ্যে উঁকি মারছে একটি সাপ, সেই ভাইরাল ভিডিওতেই মগ্ম নেটদুনিয়া ..
 

PREV
click me!

Recommended Stories

US-Iran Conflict: আমেরিকা-ইরান যুদ্ধে কে জিতল? মিডিয়া সার্ভেতেই সব পরিষ্কার!
Bilateral Trade Agreement: বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কথা বলতে জুনে ভারতে আসছে মার্কিন প্রতিনিধিদল