
Mar-a-Lago Shooting: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে ব্রেকিং নিউজ। কড়া নিরাপত্তার বলয়ে ঘেরা ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসভবন 'মার-আ-লাগো' (Mar-a-Lago)- বাসভবন ও রিসর্টে ভোররাতে গুলির ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল আমেরিকায়। প্রেসিডেন্টের আবাস হিসেবে পরিচিত-র নিরাপদ পরিসরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করায় এক সশস্ত্র যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ইউএস সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে,ভোর প্রায় দেড়টা নাগাদ মার-আ-লাগোর নিরাপত্তা বলয় ভেঙে এক শ্বেতাঙ্গ যুবক ঢুকে পড়ে। তার হাতে একটি গ্যাসের ক্যান ও একটি শটগান ছিল। পরে নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
ঘটনাটি ঘটে স্থানীয় সময় রাত দেড়টা নাগাদ। আমেরিকার সিক্রেট সার্ভিস (U.S. Secret Service) এক বিবৃতিতে জানায়, এক ব্যক্তি রিসোর্টের নিরাপত্তা জোন বা 'সিকিউর পেরিমিটার'-এ গোপনে প্রবেশের চেষ্টা করে। তাকে প্রথমে উত্তর গেট সংলগ্ন এলাকায় দেখা যায়। অভিযোগ, একটি গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ার সময় সেই সুযোগে, সেই ব্যযক্তি নিরাপত্তা বলয়ের ভিতরে ঢুকে পড়ে। কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিযুক্তের হাতে একটি শটগান এবং একটি গ্যাস বা ইন্ধন ক্যান ছিল। দুই জন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট এবং পাম বিচ কাউন্টির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক ডেপুটি সেই দুষ্কৃতীকে থামানোর চেষ্টা করেন। তাকে অস্ত্র ও সামগ্রী ফেলে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রথমে তিনি গ্যাস ক্যানটি মাটিতে ফেললেও পরে শটগান তুলে ধরেন বলে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে উঠলে নিরাপত্তারক্ষীরা গুলি চালান। গুলিবিদ্ধ যুবক ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তার বয়স আনুমানিক ২০ বছরের কাছাকাছি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এখনও পর্যন্ত তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনায় কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী আধিকারিক আহত হননি।
ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রী বা 'ফার্স্ট লেডি' মেলেনিয়া ট্রাম্প অবশ্য ফ্লোরিডায় তাদের সেই ব্যক্তিগত বাসভবনে ছিলেন না। স্ত্রী মেলেনিয়াকে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন ওয়াশিংটনে হোয়াইটহাউসে ছিলেন। এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে এফবিআই, সিক্রেট সার্ভিস ও পাম বিচের কর্তৃপক্ষ। সিসিটিভি ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, এটি নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুযায়ী নেওয়া পদক্ষেপের অংশ।
দেখুন খবরটি
২০২৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পের ওপর হামলা করেছিল এক আততায়ী। একেবারে ভগ্নাংশের দূরত্বের জন্য কোনও রকমে প্রাণে বেঁচেছিলেন ট্রাম্প। পেনসিলভানিয়ার বাটলার শহরে একটি নির্বাচনী সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় ট্রাম্পের দিকে গুলি ছোড়া হয়। গুলিতে তাঁর ডান কানে আঘাত লাগে এবং রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে মঞ্চ থেকে সরিয়ে নিয়ে যায় নিরাপত্তারক্ষীরা। ঘটনাস্থলেই হামলাকারীকে গুলি করে হত্যা করে সিক্রেট সার্ভিস।