Bangladesh: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের জেরে জ্বালানি সংকটে ভুগছে বাংলাদেশ, তেলের অভাবে রাজধানীতে হাহাকার

Published : Mar 24, 2026, 09:15 AM IST

Bangladesh Fuel Crisis: একে ভাঁড়ে মা ভবানী দশা! তার উপর জ্বালানি তেলের সংকট। বদলের বাংলাদেশে এবার নতুন করে দেখা দিয়েছে জ্বালানি। তারেক রহমানের হাতে ক্ষমতা গেলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে জ্বালানির অভাবে ধুঁকছে পদ্মাপাড়ের বাসিন্দারা। জানুন বিশদে… 

PREV
15
ইরান-ইজরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে তীব্র জ্বালানি সংকট পরিস্থিতি

সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে ইরান-ইজরায়েল বনাম আমেরিকার মধ্য়ে দ্বন্ধ। আর এই তিন দেশের যুদ্ধের আগুনে পুড়ে খাক বাংলাদেশের তেল। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তীব্র জ্বালানি সংকটে ভুগছে ভারতের পড়শী দেশ বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন উপ জেলায় তেল পাম্পগুলিতে তেলের-গ্যাসের যোগান প্রায় শেষের মুখে। চাহিদার তুলনায় গ্যাসের অপ্রতুলতা থাকায় বন্ধের মুখে সেদেশের পরিবহন ব্যবসা। বাণিজ্য। চরমে সঙ্কটে ভুগছেন বাংলাদেশের নাগরিকরা। 

25
বাংলাদেশে তীব্র জ্বালানি সংকট

বদলের বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের ছায়া ক্রমশ প্রকট হচ্ছে। পাম্পে পাম্পে ঘুরেও মিলছে না তেল, চরম ভোগান্তিতে সেদেশের সিঅনজি-বাস চালকরা। বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজধানীজুড়ে এক অদ্ভুত অবস্থা। যেখানে সরকার বলছে জ্বালানির কোনও সংকট নেই, অথচ বাইরের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। পেট্রোল পাম্পে গেলে চোখে পড়ছে দীর্ঘ লাইন। আর ঝুলছে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাংলাদেশের মোটরসাইকেল ও গাড়িচালকরা।

35
কী বলছেন বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকরা

রাজধানী ঢাকার মিরপুরের সনি সিনেমা হল সংলগ্ন স্যাম অ্যাসোসিয়েট লিমিটেড পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কেবল এলপিজি সরবরাহ করা হচ্ছে। মাইকিং করে জানানো হচ্ছে—অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল নেই। ফলে তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন অনেক চালক। এই বিষয়ে বলতে গিয়ে পাম্পে দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেল চালক কুদ্দুস মোল্লা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘’সকাল থেকে কালশীসহ কয়েকটি পাম্প ঘুরলাম, কোথাও তেল পেলাম না। সন্ধ্যায় বরিশাল যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এখন কী করবো বুঝতে পারছি না। ইদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনাও ভেস্তে গেল।'' 

45
জ্বালানি তেলের অভাবে বাংলাদেশের সর্বত্র একই অবস্থা

একই চিত্র তুলে ধরেন আরেক চালক নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘’অকটেন যখন ৬৫ টাকা ছিল, তখন থেকেই অনেক পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছিল না। এখন জরুরি সময়ে এসে একেবারেই পাওয়া যাচ্ছে না।''  আরও একজন ভুক্তভোগী চালক জানান, কচুক্ষেতসহ বিভিন্ন পাম্প ঘুরেও কোথাও তেল পাননি। তিনি আরও জানান, সব জায়গায় বলা হচ্ছে সংকট নেই, কিন্তু বাস্তবে পাম্পগুলোতে তেলই দিচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে পাম্প কর্তৃপক্ষ কোনও মন্তব্য করেনি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্রয়কর্মী জানান, গত তিনদিন ধরে অকটেন ও পেট্রোল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সকালে কিছু ডিজেল থাকলেও সেটিও শেষ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে শুধু এলপিজি বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

55
জ্বালানি সংকট নিয়ে কী বলছে বাংলাদেশ সরকার?

এদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। এই বিষয়ে ওই সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে যে, জ্বালানি তেলের ঘাটতি অব্যাহত থাকলে যে কোনও সময় সারাদেশে পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারেও। এরই মধ্যে আতঙ্কে অনেক ভোক্তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জ্বালানি কিনতে শুরু করায় সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। যদিও সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ৬ মার্চ থেকে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করে। তবে এর সুফল কতটা মিলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories