আশ্চর্যজনক তথ্য: এই দেশগুলিতে শিশুদের নাম ঠিক করে কেন্দ্র সরকার! কেন এমন নিয়ম?

Published : Jan 04, 2026, 08:09 PM IST

আশ্চর্যজনক তথ্য: সন্তানের নাম রাখার অধিকার কার? এই প্রশ্নের উত্তরে আপনি নিশ্চয়ই বলবেন বাবা-মা বা পরিবারের। কিন্তু আপনি কি জানেন যে কিছু দেশে শিশুদের নাম সরকারই ঠিক করে দেয়? 

PREV
15
শিশুর নামের উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ

সাধারণত, সন্তানের নাম রাখা বাবা-মায়ের জন্য একটি অত্যন্ত আবেগপূর্ণ বিষয়। কিন্তু কিছু দেশে এটি শুধু পারিবারিক সিদ্ধান্ত নয়, সরকারও এতে জড়িত থাকে। শিশুদের নাম আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হয়। কিছু নাম অনুমোদিত, আবার কিছু নাম পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করা হয়।

25
ডেনমার্কে অনুমোদিত নামের তালিকা

ডেনমার্কে শিশুদের নামের জন্য বিশেষ আইন রয়েছে। সরকার প্রায় ৭,০০০টি অনুমোদিত নামের একটি তালিকা তৈরি করেছে। ছেলেদের এবং মেয়েদের জন্য আলাদা তালিকা রয়েছে। তালিকার বাইরে কোনো নাম রাখতে হলে স্থানীয় গির্জা এবং সরকারি কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমতি নিতে হয়। এমনকি নামের বানানও ইচ্ছামতো পরিবর্তন করা যায় না।

35
আইসল্যান্ডে ভাষা সুরক্ষাই প্রধান লক্ষ্য

আইসল্যান্ডে শিশুদের নামের ওপর কঠোর নিয়ম রয়েছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের ভাষাকে রক্ষা করা। আইসল্যান্ডিক নামকরণ কমিটি প্রতিটি নাম পর্যালোচনা করে। নামটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক কিনা এবং বর্ণমালা অনুযায়ী লেখা যায় কিনা তা দেখা হয়। নেতিবাচক অর্থ বা ভীতি সৃষ্টিকারী নাম নিষিদ্ধ।

45
জার্মানি এবং সৌদি আরবে বিধিনিষেধ

জার্মানিতে সরকার শিশুর কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। যে নামগুলি লিঙ্গ স্পষ্টভাবে বোঝায় না, উপহাসের যোগ্য, ব্র্যান্ড বা বস্তুর নাম, সেগুলি বাতিল করা হয়। রাজনৈতিক নেতাদের উপাধিও নাম হিসেবে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

সৌদি আরবে ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং স্থানীয় ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে নাম নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ইসলামিক সংস্কৃতির বিরোধী, অন্য ধর্মের সঙ্গে যুক্ত বা পাশ্চাত্য সংস্কৃতি প্রতিফলিত করে এমন নাম সরকার অনুমোদন করে না।

55
শিশুদের নাম নিয়ন্ত্রণকারী সরকারের যুক্তি

এই দেশগুলিতে সরকারের যুক্তি একটাই - শিশুরা যেন ভবিষ্যতে উপহাসের শিকার না হয়, তাদের সংস্কৃতি ও ভাষা সংরক্ষিত থাকে এবং সরকারি রেকর্ডে স্পষ্টতা বজায় থাকে। শিশুদের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব এড়াতেই এই আইনগুলি প্রয়োগ করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে কঠোর মনে হলেও, শিশুর নিরাপত্তাই মূল লক্ষ্য।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories