১. বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেলের সংকট: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আর জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। পাকিস্তান পুরোপুরি আমদানির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে।
২. ডলারের আকাল: আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পাকিস্তান ডলারে তেল কেনে, কিন্তু দেশের মানুষের কাছ থেকে টাকায় দাম নেয়। তেলের দাম বাড়লে বেশি ডলার লাগে, যা পাকিস্তানের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারে মারাত্মক চাপ ফেলেছে।
৩. ট্যাক্স আর লেভি: আন্তর্জাতিক দামের পাশাপাশি, পাকিস্তান সরকার প্রতি লিটার পেট্রোলে প্রায় ১১৪ টাকা ট্যাক্স এবং পেট্রোলিয়াম ডেভেলপমেন্ট লেভি চাপাচ্ছে।
৪. ঋণের পাহাড়: ২০২৫ সালের জুন মাসের হিসেবে পাকিস্তান প্রায় ৮০.৫২ ট্রিলিয়ন টাকার সরকারি ঋণে ডুবে আছে, যা তাদের জিডিপির ৭০.৭ শতাংশ।
৫. বিদেশি ফান্ডের ওপর নির্ভরতা: পাকিস্তান বর্তমানে আইএমএফ-এর ৭ বিলিয়ন ডলারের প্রোগ্রামের অধীনে চলছে। তাদের শর্ত মেনে ভর্তুকি তুলে নেওয়ায় দাম আরও বেড়েছে।