Unique Hotel: এক বিছানায় শুয়ে দুই দেশে ঘুম! কোথায় আছে এই আজব হোটেল?

Published : Oct 30, 2026, 03:50 PM IST

Unique Hotel: এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে কত নিয়মকানুন মানতে হয়! কিন্তু কোনো পাসপোর্ট- ভিসা ছাড়াই আপনি একই জায়গায় থেকে দুই দেশে সময় কাটাতে পারেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, একই বিছানায় শুয়ে দুটো দেশে একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ার অভিজ্ঞতাও পাবেন এখানে।

PREV
13
একবারে দুই দেশ..
সাধারণত এক দেশ থেকে অন্য দেশে পা রাখতে পাসপোর্ট আর ভিসা লাগে। তবে এই হোটেলের লম্বা করিডোর ধরে কয়েক পা হাঁটলেই আপনি ফ্রান্স থেকে পৌঁছে যাবেন সুইজারল্যান্ডে! শুনতে গল্প মনে হলেও ঘটনাটি একবারে সত্যি। ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড সীমান্তের 'লা কিউর' নামের ছোট এক গ্রামে রয়েছে এই বিরল হোটেলটি। বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে এটি দারুণ এক আকর্ষণের জায়গা।
23
এক বিছানা... দুই দেশ...
বাইরে থেকে 'হোটেল আরবেজ' দেখতে খুব সাধারণ। তবে ভেতরে ঢুকা মাত্রই আসল জাদুকরী অভিজ্ঞতা শুরু হয়। সীমানা রেখাটি হোটেলের খাবার ঘর, সিঁড়ি এবং ঘরের ভেতর দিয়ে গেছে। মেঝের ওপর পরিষ্কারভাবে একটি দাগ টেনে সীমান্ত বোঝানো আছে। কয়েকটি ঘরের ক্ষেত্রে এই রেখাটি গেছে ঠিক বিছানার মাঝখান দিয়ে! তার মানে আপনি যখন ঘুমাবেন, আপনার মাথা থাকবে ফ্রান্সে আর পা থাকবে সুইজারল্যান্ডে। শুধু ঘুম নয়, দুই দেশের সীমান্তে বসেই সারতে পারেন সকালের জলখাবার বা কফি পর্ব।
33
যেভাবে তৈরি হলো এই হোটেল...
আন্তর্জাতিক সীমান্তে এভাবে হোটেল বানানো সহজ কথা নয়। এর পেছনে রয়েছে এক মজার ইতিহাস। ১৮৬০ সালে ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড সরকার সীমানা পুনঃনির্ধারণের জন্য 'ড্যাপস চুক্তি' করে। চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার আগেই পোন্থাস নামের স্থানীয় এক ব্যবসায়ী এখানে নিজের দোকান ও ভবন তৈরি করে ফেলেন। পরে নতুন সীমান্ত রেখা এই ভবনের ওপর দিয়েই টেনে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী পুরোনো কটেজ বা ভবন ভাঙা সম্ভব ছিল না। ফলে সীমান্ত বদলালেও বহাল তবিয়তে থেকে যায় এই হোটেল। দুটি দেশকে এভাবে এক ছাদের নিচে যুক্ত করার দারুণ এই অভিজ্ঞতা নিতেই সারাবছর পর্যটকরা ভিড় জমান। দুটি সংস্কৃতির অদ্ভুত মেলবন্ধন.. ১৯৫৮ সালে হোটেলের তৎকালীন মালিক ম্যাক্স আরবেজ মজা করে এই হোটেলকে 'আরবেজিয়া' নামে এক স্বাধীন ছোট্ট দেশ হিসেবে ঘোষণা দেন। এই হোটেলের রেস্তোরাঁয় ফরাসি এবং সুইস—দুই ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারই পাওয়া যায়। কোনো ঝমেলা ছাড়া এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াতের এই অদ্ভুত সুযোগ উপভোগ করতেই ভ্রমণপিপাসুরা বার বার এখানে ছুটে আসেন।
Read more Photos on
click me!

Recommended Stories