ঘুম নেই চোখে, ফণী-র অপেক্ষায় প্রহর গুণছেন মেয়র, নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী

Published : May 04, 2019, 02:10 AM IST
ঘুম নেই চোখে, ফণী-র অপেক্ষায় প্রহর গুণছেন মেয়র, নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী

সংক্ষিপ্ত

রাত জেগে বোরো পরিক্রমা করছেন মেয়র প্রতিনিয়ত নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী সাহায্যের হাত বাড়ালেন সাধারণ মানুষ

ঘড়ির কাঁটায় ঠিক রাত ১টা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয় মধ্য রাতেই শহর দাপাবে ফণী। তাই ঘুম নেই চোখে। মেয়র ফিরাদ হাকিম থেকে শুরু করে রাজ্য সরকারের প্রতিটি বিভাগের অধিকর্তারা রাত জেগে পাহাড়ারত। রাস্তাঘাট ফাঁকা। প্রায় বন্ধ গাড়ি চলাচল। শুরু হয়েছে শহর জুড়ে বিক্ষিপ্ত মাঝারী বৃষ্টিপাতে। মাঝে মধ্যে ঝোড়ো হাওয়ার দেখা মিললেও এখনও ফণী-র দর্শন পায়নি শহরবাসী।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী নিদেন পক্ষে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি রাখতে হবে টহল। তাই মধ্য রাতেই বিভিন্ন বোরো ঘুরে দেখছেন মেয়র। সঙ্গে রয়েছেন ডেপুটি মেয়র অতিন ঘোষ। প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, পুরসভা ও দলীয় কর্মীদের নিয়ে চলছে ত্রাণ শিবিরে খাবার মোতায়নের কাজ। তিনটি বোরোয় মোট ২৫০০ জন মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে শুক্রবার। স্থানীয় স্কুল, ক্লাবেও উঠেছেন বেশকিছু মানুষ। রাস্তার মোড়ে মোড়ে হাজির করা হয়েছে গাছ নিয়ে যাওয়ার ট্রলার। প্রতিনিয়ত সজাক দমকল বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগ।

রাত ১টা পর্যন্ত বিভিন্ন বোরো ঘুড়ে দেখার পর মেয়র ফিরে যাবেন হেড অফিসে। ফণীর শনিবার ভোর রাতের মধ্যেই হানা দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল, তাই কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। প্রতিটি এলাকার পৌরপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে পুরসভা।

রাজ্যের এই সংকট অবস্থায় প্রশাসনের পাশে থাকছে মানুষ। নিজেদের মধ্যে সচেতনা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে প্রতিনিয়ত। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়াচ্ছে দূর্যোগ মোকাবিলার সতর্কবার্তা। তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি হোয়াস্ট অ্যাপ গ্রুপ। ম্যাসেজের মাধ্যমেও বাড়ানো হচ্ছে সাহায্যের হাত।  

PREV
click me!

Recommended Stories

সন্ধ্য়ে পর্যন্ত এল না নথি! ১০০০ টাকা বন্ডে জামিন অপসারিত BDO প্রশান্ত বর্মণ
West Bengal Liquor Policy: রাজ্যে মদের দোকানের লাইসেন্সের নীতিতে বদল, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর