
মাছের সাথে দুধ বা দই খাওয়া উচিত নয়। যেখানে দুটি ভিন্ন ধরনের প্রোটিন ও তাদের বিপরীত গুণ (মাছ-উষ্ণ, দই-শীতল) হজমে সমস্যা, পেটের অস্বস্তি, গ্যাস, বা ত্বকের সমস্যা (যেমন শ্বেতী) সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করা হয়। যদিও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সীমিত। তবে সংবেদনশীল ব্যক্তি বা অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে এটি এড়িয়ে চলাই ভালো এবং দুটি প্রোটিন একসাথে খেলে হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।যা বদহজম ও পেট ফাঁপার কারণ হতে পারে।
* হজমের সমস্যা: মাছ ও দই উভয়ই উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার, যা একসঙ্গে খেলে হজম প্রক্রিয়া জটিল হতে পারে, ফলে বদহজম, গ্যাস, পেট ফাঁপা এবং পেটে ব্যথা হতে পারে।
* আয়ুর্বেদিক দৃষ্টিকোণ: আয়ুর্বেদ অনুসারে, মাছ 'উষ্ণ' (heating) এবং দই 'শীতল' (cooling) প্রকৃতির; এই দুটি বিপরীত গুণ একসাথে শরীরে 'আম' (বিষাক্ত পদার্থ) তৈরি করতে পারে, যা ত্বকের সমস্যা (যেমন শ্বেতী বা ভিটিলিগো) এবং হজমের জটিলতা সৃষ্টি করে।
* ত্বকের প্রতিক্রিয়া: কিছু মানুষের ক্ষেত্রে, এই সংমিশ্রণ ত্বকে অ্যালার্জি, ফুসকুড়ি বা সাদা দাগের কারণ হতে পারে, যদিও এটি শ্বেতীর কারণ নয়, তবে সংবেদনশীল ত্বকে প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
* অনেক বিজ্ঞানী ও পুষ্টিবিদদের মতে, সুস্থ এবং সাধারণ হজমশক্তির মানুষের জন্য মাছ ও দই একসাথে খাওয়া ক্ষতিকর নয়, বরং বিভিন্ন রেসিপিতে এই দুটি উপাদান ব্যবহার করা হয় (যেমন ক্রিম সসসহ মাছ)।
* সমস্যাটি মূলত খাদ্য অসহিষ্ণুতা (food intolerance) বা অ্যালার্জির কারণে হতে পারে, যা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়।
কখন এড়িয়ে চলবেন:
* যদি আপনার হজমের সমস্যা বা পেটের সংবেদনশীলতা থাকে। * যদি আপনার মাছ বা দুগ্ধজাত পণ্যে অ্যালার্জি থাকে। * যদি আপনার ত্বকের সংবেদনশীলতা থাকে বা আগে থেকেই কোনো চর্মরোগ থাকে।
* যদি আপনার শরীর খারাপ বোধ হয় বা কোনো অস্বস্তি হয়, তবে এই সংমিশ্রণ এড়িয়ে চলুন। * মাছ ও দই একসাথে না খেয়ে আলাদাভাবে খেলে বা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে খেলে ঝুঁকি কমে। * সংবেদনশীল ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News