হলুদের নির্যাস যুক্ত সাবান ত্বকের পক্ষে কতটা উপকারী জানুন বিস্তারিত..

Published : Jan 29, 2026, 11:48 AM IST
Turmeric

সংক্ষিপ্ত

অনেকেই ফেসওয়াশ বা ক্লিনজ়িং তরলের বদলে বেছে নিচ্ছেন ভেষজগুণ সম্পন্ন হাতে তৈরি সাবান। প্রশ্ন হল, সেই সাবান কি আদতেই কাজ করে, না কি স্রেফ বাজার ধরার জন্য মিথ্যা দাবি করা হচ্ছে?

হলুদ মেশানো বা হলুদের নির্যাসযুক্ত সাবান নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি, ব্রণের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ এবং দাগছোপ দূর করতে সাহায্য করে। হলুদে থাকা 'কারকিউমিন' একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ত্বকের প্রদাহ কমিয়ে ত্বককে নরম ও কোমল রাখে। এটি একটি প্রাকৃতিক স্কিন কেয়ার উপাদান যা ত্বকের অকাল বার্ধক্য রোধ করতেও কার্যকর।

হলুদ সাবানের বিস্তারিত উপকারিতা:

* ব্রণ নিয়ন্ত্রণ: হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে।

* ত্বক উজ্জ্বল করা: হলুদের প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের কালচে ভাব বা দাগছোপ (Hyperpigmentation) দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

* অ্যান্টি-এজিং গুণ: এটি কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখে এবং বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে।

* প্রদাহ ও সংক্রমণ কমানো: ত্বকের জ্বালাভাব, চুলকানি বা সোরিয়াসিসের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে হলুদ সাহায্য করে।

* ত্বক পরিষ্কার ও কোমল করা: অনেক হলুদ সাবানে অ্যালোভেরা বা গ্লিসারিন থাকে, যা ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে।

সতর্কতা:হলুদ সব ধরনের ত্বকের জন্য নিরাপদ হলেও, সংবেদনশীল ত্বক হলে ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট (Patch Test) করা উচিত, কারণ কিছু ক্ষেত্রে হলুদে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া, লালভাব বা চুলকানি হতে পারে।

কিভাবে ব্যবহার করবেন:

হলুদ সাবান ব্যবহারের পর ভালো ফলাফলের জন্য ফেনাটি ১-২ মিনিট ত্বকে রেখে তারপর ধুয়ে ফেলা উচিত।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

এবার আর আঙুলে সুচ ফোটানোর দরকার নেই, চোখের রেটিনা দেখেই নির্ধারণ করা যাবে ডায়াবেটিস কত?
রাতে দই খাওয়া কি উচিত? খেলে কী হতে পারে?