
জীবনযাত্রার কিছু সাধারণ ভুল অজান্তেই রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। যেমন—অতিরিক্ত লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, পেটে মেদ জমা, অপর্যাপ্ত ঘুম, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান ও মদ্যপান; যা হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কিডনি বিকল হওয়ার কারণ হতে পারে, তাই এসব এড়িয়ে চলা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমে সচেতন থাকা জরূরী।
১. অতিরিক্ত লবণ ও অস্বাস্থ্যকর খাবার: খাবারে অতিরিক্ত লবণ (সোডিয়াম), চর্বিযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার (যেমন কেক, পরোটা, ফাস্ট ফুড) খেলে রক্তচাপ বাড়ে।
২. শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও ওজন বৃদ্ধি: নিয়মিত ব্যায়াম না করা এবং পেটের চারপাশে অতিরিক্ত মেদ জমা রক্তচাপের অন্যতম প্রধান কারণ।
৩. অপর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ: রাতে পর্যাপ্ত (৬-৮ ঘণ্টা) না ঘুমানো এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও রাগ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়।
৪. ধূমপান ও মদ্যপান: ধূমপান ও অনিয়ন্ত্রিত মদ্যপান রক্তনালীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।
৫. পটাশিয়ামের অভাব: খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ফল ও সবজি (পটাশিয়াম সমৃদ্ধ) না থাকলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়।
* খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: লবণ কমিয়ে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার (কলা, অ্যাভোক্যাডো, টমেটো, দই) খান; তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
* নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন, যেমন—হাঁটা, সাঁতার কাটা, সাইক্লিং।
* ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর চেষ্টা করুন, বিশেষ করে পেটের মেদ।
* ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন: এখনই ধূমপান ছেড়ে দিন এবং মদ্যপান সীমিত করুন।
* মানসিক চাপ কমানো: ধ্যান, যোগা বা শখের মাধ্যমে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন।
* পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
* কখন সতর্ক হবেন (লক্ষণ): মাথা ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, বুক ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, শরীরের একপাশ অবশ লাগা বা কথা জড়িয়ে যাওয়া—এগুলো উচ্চ রক্তচাপের মারাত্মক লক্ষণ হতে পারে, যা দেখলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News