
ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে অ্যালার্জি। বসন্তের রঙিন দিনে আনন্দ দূরের কথা। অ্যালার্জির অ্যাটাকে শিশুদের দফারফা। চিন্তায় অস্থির বাবা মা-ও। অ্যালার্জি সাময়িক উপশম হয়তো সম্ভব, কিন্তু রোগ নির্মূল সম্ভব না, কারণ শিশুর বাবা মা-ই।
বিশ্বজুড়ে শিশুদের মধ্যে অ্যালার্জি সংক্রান্ত নানা সমস্যা বেড়ে গিয়েছে মারাত্মক ভাবে। দিল্লি বা কলকাতার মতো ভারতীয় শহরগুলিতেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এই রোগ। কিন্তু কেন? উত্তর শুনলে পিলে চমকাবে বাবা মায়েদের। চিকিৎসকরা বলছেন, বাবা মায়েদের অতিরিক্ত স্নেহ সন্তানকে এই অসুখের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
চিকিৎসকরা বলছেন শিশুকে সুস্থ রাখতে মা-বাবারা তাদের প্রকৃতি থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে বাবা মা-ই। ফলে, শিশুদের শরীরে ‘ইমিউনিটি সিস্টেম’ ঠিক মতো কাজই করছে না। খুব সহজেই শিশুর শরীরে বাসা বাধছে অ্যালার্জি।
অ্যলার্জি নির্ণয় করার পর এখন ইমিউনোথেরাপি ব্যবহার করে প্রায় ৮৫ ভাগ ক্ষেত্রে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা যাচ্ছে আজকাল। কিন্তু যদি শিশু ততক্ষণ নিজে লড়াই শিখবেই না যতক্ষণ না তাকে রোদে ধুলোয় জলে লড়তে দেওয়া হবে।
জমা ধুলো, কোনও বিশেষ খাবার, আরশোলা জাতীয় প্রাণীর সংস্পর্শে,প্রিয় পোষ্যের লোম থেকেও ছড়াতে পারে অ্যালার্জি। এই ঋতুতে বাতাসে ভাসমান ফুলের রেণু, ধূলিকণা থেকে অ্যালার্জির কোপে পড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
এই পদ্ধতিগুলি মেনে শিশুকে অ্যালার্জি থেকে বাঁচাতে পারেন —
১. পোষ্যর সঙ্গে ভাব করিয়ে দিন ছোটবেলাতেই।
২. শিশু যেন বিকেলে পার্কে বেড়াতে পারে।
৩. ধীরে ধীরে সব ধরনের খাবারের সঙ্গে পরিচয় করান।
৪ অ্যান্টিবায়োটিক নির্ভরতা কমান মা শিশু দুজনেই।
৫ মাতৃদুগ্ধ খুব জরুরি।
৬ মায়েরা সন্তান গর্ভে থাকলে ভিটামিন- ডি এর মাত্রা সঠিক রাখার দিকে নজর দিন।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News