সারা বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছেন। শরীর যখন পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না বা ইনসুলিন ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারে না, তখনই রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। তবে সঠিক ডায়েট, নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রয়োজনে ওষুধের সাহায্যে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনায়াসেই কমানো যায়।
27
রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়াই হলো ডায়াবেটিস
সঠিক ডায়েট প্ল্যান রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে। পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈন এমন ৫টি খাবারের কথা জানিয়েছেন, যা রোজকার খাদ্যতালিকায় রাখলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।
37
সুগার স্পাইক আটকায় করলা
করলায় 'পলিটেপটাইড-পি' (polypeptide-P) থাকে। এই উপাদানটি কোষে গ্লুকোজ শোষণের মাত্রা বাড়ায়। খালি পেটে করলার রস বা রান্না করা করলা খাওয়া সবচেয়ে ভালো। এতে ক্যালোরি কম এবং ফাইবার বেশি থাকে। ফলে হজম ধীরে হয় এবং রক্তে সুগার হঠাৎ করে বেড়ে যায় না।
47
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেরা পানীয় গ্রিন টি
গ্রিন টি-তে পলিফেনল এবং ক্যাটেচিন থাকে। এই উপাদানগুলো রক্তে সুগারের মাত্রা দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। দিনে দুই থেকে তিন কাপ গ্রিন টি খেলে রক্তে সুগার এবং HbA1C-এর মাত্রা অনেকটাই কমে যায়।
57
সুগার রোগীদের জন্য দারুণ উপকারী পেয়ারা
পেয়ারায় প্রচুর ফাইবার থাকে এবং এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশ কম। তাই পেয়ারা খেলে রক্তে সুগার হঠাৎ করে বাড়ে না। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের উন্নতি ঘটায়।
67
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চিয়া সিড
চিয়া সিড ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি দারুণ খাবার। এতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার (soluble fibre) থাকে। খালি পেটে চিয়া সিড খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। এর ফলে ওজনও স্বাস্থ্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
77
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় দারুচিনি
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুচিনি সেরা মশলা। এটি শরীরের ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতে সাহায্য করে। দারুচিনি অনেকটা ইনসুলিনের মতোই কাজ করে এবং রক্ত থেকে কোষে সুগার পৌঁছে দেয়। ফলে রক্তে সুগার হঠাৎ করে বাড়তে পারে না।