শরীরের নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ঠিকঠাক চালানোর জন্য জিঙ্ক খুব দরকারি। আমাদের শরীর নিজে থেকে জিঙ্ক তৈরি বা সঞ্চয় করতে পারে না। তাই রোজকার খাবারের মাধ্যমে এটি গ্রহণ করা জরুরি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এমন কয়েকটি জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবারের তালিকা দেখে নিন।
27
জিঙ্কের দারুণ উৎস হলো চিনাবাদাম, কাজু ও আমন্ড
বাদামে জিঙ্কের পাশাপাশি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা পুষ্টিগুণ ভরপুর মাত্রায় থাকে। চিনাবাদাম, কাজু এবং আমন্ড জিঙ্কের দারুণ উৎস। এগুলোতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন এবং ফাইবারও থাকে। সব ধরনের বাদামের মধ্যে কাজুতে সবচেয়ে বেশি জিঙ্ক পাওয়া যায়।
37
দুধ, চিজ এবং দইয়ের মতো দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর জিঙ্ক থাকে
দুধ, চিজ এবং দই হলো স্বাস্থ্যকর দুগ্ধজাত খাবার, যেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, দুগ্ধজাত খাবার থেকে পাওয়া জিঙ্ক আমাদের শরীর খুব সহজেই শুষে নিতে পারে। এর ফলে জিঙ্ক শোষণের প্রক্রিয়াটি শরীরে অনেক বেশি কার্যকর হয়।
47
রোজ ডিম খেলে শরীরে জিঙ্কের দৈনন্দিন চাহিদা মেটে
ডিম জিঙ্কের পাশাপাশি প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, সেলেনিয়াম এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের দারুণ উৎস। রোজকার ডায়েটে ডিম রাখলে তা শরীরে জিঙ্কের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে।
57
ডার্ক চকোলেট মস্তিষ্কের কাজ উন্নত করে এবং রক্তচাপ কমায়
ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। এছাড়া এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন এবং ম্যাগনেসিয়ামেরও দারুণ উৎস। এটি মস্তিষ্কের কাজ উন্নত করতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
67
ডাল ও শস্যজাতীয় খাবারে প্রচুর প্রোটিন এবং জিঙ্ক থাকে
ডাল ও শস্যজাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং জিঙ্ক থাকে। ছোলা, মুগ ডাল, মসুর ডাল এবং বিভিন্ন ধরনের বিনস দিয়ে আপনি নানা রকম সুস্বাদু পদ তৈরি করে খেতে পারেন।
77
ওটসে থাকা ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভর্তি রাখতে সাহায্য করে
ওটস জিঙ্কের একটি দারুণ উৎস। এতে আরও অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। ওটসে থাকা ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভর্তি রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জোগায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।