কিডনি স্টোন সাধারণত বয়স্কদের রোগ বলে ধরা হয়। কিন্তু আজকাল ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের মধ্যেও এই সমস্যা বাড়ছে। উত্তর ভারত জুড়ে চলা অস্বাভাবিক গরম, শরীরে জলের ঘাটতি এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন এই রোগের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দিচ্ছে।
27
পাথর মূত্রনালীতে না আসা পর্যন্ত অনেক সময় কোনো লক্ষণই বোঝা যায় না
প্রস্রাবে লবণ ও খনিজ পদার্থ জমে কিডনিতে পাথর তৈরি করে। পাথর মূত্রনালীতে না আসা পর্যন্ত অনেক সময় কোনো লক্ষণই বোঝা যায় না। প্রস্রাবের সময় ব্যথা, রক্ত পড়া, বারবার প্রস্রাব পাওয়া, বমি ভাব, জ্বর ও কাঁপুনি হলো এর প্রধান লক্ষণ।
37
পিঠের একপাশে বা তলপেটে ব্যথা অনুভব করা
পিঠের একপাশে বা তলপেটে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা শুরু হলে তা কিডনি স্টোনের লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত বের হওয়া বা প্রস্রাবের স্বাভাবিক রং বদলে যাওয়াও এই রোগের অন্যতম বড় সংকেত।
47
প্রস্রাবের রং গোলাপি বা লালচে হয়ে যেতে পারে
কিডনিতে পাথর থাকলে প্রস্রাবের রং গোলাপি বা লালচে হয়ে যেতে পারে। এর পাশাপাশি কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই যদি আপনার বারবার বমি ভাব বা বমি হতে থাকে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
57
কিডনি স্টোনের অন্যতম প্রধান কারণ হলো ডিহাইড্রেশন
শরীরে জলের অভাব কিডনি স্টোনের অন্যতম প্রধান কারণ। পর্যাপ্ত জল না খেলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়। এর ফলে ক্যালসিয়াম, অক্সালেট এবং ইউরিক অ্যাসিডের মতো খনিজগুলো জমে পাথর তৈরি করে। গরমকালে ঘামের সঙ্গে প্রচুর জল বেরিয়ে গেলেও অনেকেই সেই অনুযায়ী জল খান না।
67
অতিরিক্ত প্রোটিন ডায়েট আরেকটি বড় কারণ
ওজন কমানো বা পেশি তৈরির জন্য আজকাল অনেক তরুণ-তরুণী সাপ্লিমেন্ট, শেক এবং প্যাকেটজাত প্রোটিন খাবার খান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রোটিন শরীরের জন্য জরুরি হলেও পর্যাপ্ত জল ছাড়া অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।
77
প্রসেসড ফুড, স্ন্যাকস এবং রেস্তোরাঁর খাবারে প্রচুর সোডিয়াম থাকে
অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কিডনি স্টোনের আরেকটি বড় কারণ। প্রসেসড ফুড, স্ন্যাকস এবং রেস্তোরাঁর খাবারে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম থাকে। খাবারে লবণের পরিমাণ বেশি হলে কিডনি প্রস্রাবের মাধ্যমে বেশি ক্যালসিয়াম বের করে দেয়, যা পাথর তৈরির ঝুঁকি বাড়ায়।