AC Buying Guide: গরম একেবারে নাজেহাল করে দিয়েছে। দেশর সব জায়গায় পারদ ৪৪-৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় সবাই এসি কেনার কথা ভাবছেন। কিন্তু শোরুমে যাওয়ার আগে এই ৫টি বিষয় না জানলে, মাসের শেষে ইলেকট্রিক বিল দেখে কপালে ঘাম জমবে।
AC Buying Guide: অনেকেই সস্তার লোভে ২ বা ৩-স্টার এসি কেনেন। কিন্তু মনে রাখবেন, স্টার যত কম, বিদ্যুতের বিল তত বেশি। আপনি যদি দিনে ৮-১০ ঘণ্টা এসি চালান, তাহলে অবশ্যই ৫-স্টার মডেল কিনুন। শুরুতে ৩-৫ হাজার টাকা বেশি লাগলেও, সারা বছরে বিদ্যুতের বিলে এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা বাঁচবে।
25
ইনভার্টার এসি কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ
ইনভার্টার এসির কম্প্রেসার ঘর ঠান্ডা হওয়ার পর পুরোপুরি বন্ধ হয় না, বরং গতি কমিয়ে চলতে থাকে। এর ফলে হঠাৎ করে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয় না এবং বিল কম আসে। আপনার এসির ব্যবহার যদি বেশি হয়, তাহলে ইনভার্টার এসি কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ।
35
ঘরের মাপ বুঝে এসি কেনা
ঘরের মাপ বুঝে এসি কেনা খুব জরুরি। একটি ১০x১০ ফুট ছোট ঘরের জন্য ২ টনের এসি কেনা বোকামি। ছোট ঘরের জন্য ১ টন, মাঝারি (১৫০ বর্গফুট পর্যন্ত) ঘরের জন্য ১.৫ টন এবং বড় হলের জন্য ২ টনের এসি বাছুন। ভুল মাপের এসি কিনলে ঘর হয় ঠান্ডা হবে না, অথবা অকারণে বেশি বিদ্যুৎ পুড়বে।
দোকানদার আপনাকে সস্তায় অ্যালুমিনিয়াম কন্ডেন্সারযুক্ত মডেল গছিয়ে দিতে পারে। কিন্তু অ্যালুমিনিয়াম কয়েল তাড়াতাড়ি খারাপ হয় এবং সারানোও কঠিন। তাই সব সময় ১০০% কপার কয়েল (Copper Condenser) যুক্ত এসি কিনুন। এটি দীর্ঘদিন চলে এবং কুলিংও অনেক ভালো হয়।
55
নয়েজ লেভেল দেখে কিনুন
এসি কেনার সময় তার নয়েজ লেভেল (Noise Level) বা কতটা আওয়াজ হয়, তা অবশ্যই দেখে নিন। ঘুমের সময় এসির শব্দে ঘুম ভাঙলে মুশকিল। এছাড়াও, আপনার শহরে ওই ব্র্যান্ডের সার্ভিস সেন্টার আছে কিনা, তা জেনে নেওয়া জরুরি। গরমে এসি খারাপ হলে যদি মেকানিক ৪ দিন পর আসে, তাহলে আপনার অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে।