দ্রুতগতির জীবনে মানসিক ও নিউরোলজিক্যাল রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। ডিমেনশিয়া, ডিপ্রেশন ও স্ট্রোক এখন তরুণদেরও প্রভাবিত করছে। কিছু সাধারণ অভ্যাস এই রোগগুলির ঝুঁকি অনেকটাই কমাতে পারে।
26
সামাজিক মেলামেশা জরুরি
বন্ধু ও পরিবারের সাথে যোগাযোগ মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে। মানসিক চাপ কমে এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকিও অনেকাংশে হ্রাস পায়। সামাজিক কার্যকলাপ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
36
জীবনের একটি উদ্দেশ্য খুঁজুন
জীবনে লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। নতুন কিছু শেখা, কাউকে সাহায্য করা বা কোনো শখ তৈরি করা মস্তিষ্ককে ইতিবাচক রাখে। এতে একাকীত্ব ও বিষণ্ণতা কমে এবং জীবনে সুখ আসে।
প্রতিদিন হাঁটা, যোগব্যায়াম বা সাইকেল চালানো শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। শারীরিক ক্রিয়াকলাপ রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, যা মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ায়। এটি স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় এবং মন ভালো রাখে।
56
সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন
মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য আপনার খাবারের ওপর নির্ভরশীল। সবুজ শাকসবজি, ফল, বাদাম, বীজ, শস্য এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্ককে পুষ্টি জোগায়। জাঙ্ক ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।
66
ধাঁধা এবং ব্রেন গেম খেলুন
মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতে পাজল, সুডোকু বা মেমরি গেম খুব সহায়ক। এই গেমগুলি মস্তিষ্কের কোষের সংযোগ শক্তিশালী করে স্মৃতিশক্তি উন্নত করে। প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট মস্তিষ্কের ব্যায়াম ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়।