
মাইক্রোওয়েভ ওভেনের দিন শেষ হয়নি, তবে এর বিকল্প হিসেবে বাজারে এসেছে নতুন ধরনের স্মার্ট ওভেন ও এয়ার ফ্রায়ার। যা মাইক্রোওয়েভের সীমাবদ্ধতা (যেমন - গ্রিলিং বা বেকিংয়ে কম দক্ষতা, বড় আকার, শুধু খাবার গরম করা) দূর করে দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর রান্নার সুবিধা দিচ্ছে, ফলে অনেক মানুষ এখন বহুমুখী ক্ষমতাসম্পন্ন এসব যন্ত্রের দিকে ঝুঁকছে, যা রান্নাঘরের চেহারা বদলাচ্ছে। কিন্তু খাবার গরম করার জন্য মাইক্রোওয়েভ এখনও অপরিহার্য।
* সীমাবদ্ধতা: মাইক্রোওয়েভ ওভেন মূলত খাবার গরম করা বা হালকা রান্নায় ভালো হলেও, বেকিং, গ্রিলিং বা ক্রিস্পি খাবার তৈরিতে কনভেকশন ওভেনের মতো কার্যকর নয়। এর বড় আকারও অনেকের হেঁশেলের জায়গা নষ্ট করে। * নতুন যন্ত্র: এখনকার স্মার্ট ওভেন বা এয়ার ফ্রায়ারগুলো শুধু গরম নয়, বরং বেকিং, রোস্টিং, গ্রিলিং, এয়ার ফ্রাইং-এর মতো বহুমুখী কাজ একইসাথে করতে পারে, যা স্বাস্থ্যকর এবং কম তেল ব্যবহার করে।
* বহুমুখী ব্যবহার: একটি যন্ত্রে একাধিক কাজ করার সুবিধা, যেমন - কেক বানানো থেকে শুরু করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করা। * দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর রান্না: কম সময়ে এবং কম তেল/চর্বি ব্যবহার করে খাবার রান্না করা যায়, যা স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে আকর্ষণীয়। * জায়গার সাশ্রয়: কম্প্যাক্ট ডিজাইনের কারণে রান্নাঘরে কম জায়গা নেয়। * স্মার্ট ফিচার: অনেক নতুন ওভেনে ডিজিটাল কন্ট্রোল, প্রি-সেট প্রোগ্রাম ইত্যাদি থাকে, যা রান্নাকে আরও সহজ করে তোলে।
* প্রতিস্থাপন নয়, পরিপূরক: মাইক্রোওয়েভ পুরোপুরি বিদায় নিচ্ছে না, বরং এর পাশাপাশি নতুন যন্ত্রগুলো জায়গা করে নিচ্ছে। * বিশেষ ব্যবহার: দ্রুত খাবার গরম করা বা জলীয় খাবার দ্রুত রান্না করার জন্য মাইক্রোওয়েভ এখনও সেরা।
সুতরাং, মাইক্রোওয়েভের দিন শেষ হয়নি, তবে আধুনিক ও বহুমুখী রান্নাঘরের প্রয়োজনে নতুন প্রযুক্তির যন্ত্রগুলো এখন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, যা রান্নাঘরের ধারণাকেই বদলে দিচ্ছে।