
ওষুধ খেয়ে চটজলদি ওজন কমানোর বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া বিজ্ঞাপন রুখতে কেন্দ্রীয় সরকার কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে। ডায়াবেটিস বা অন্য রোগের ওষুধকে 'ওজন কমানোর জাদু' হিসেবে প্রচার করা যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মেদ ঝরানোর ওষুধ সেবন মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন—হাড়ের ক্ষয়, চর্মরোগ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
ওজেম্পিক দেশের বাজারে আসার পর থেকে ওজন কমানোর ওষুধের ক্রমশ চাহিদা বাড়ছে। মাইনজেরোর মতো ওষুধের চাহিদা ব্যাপক। এছাড়া ক্রমশ বাড়ছে সেমাগ্লুটাইড ‘জিএলপি ১’ গোত্রের ওষুধের চাহিদা। এই ওষুধগুলি যাঁরা খাচ্ছেন তাঁদের লক্ষ্য একটাই, ডায়েট কিংবা শরীরচর্চা ছাড়াই দ্রুত রোগা হওয়া। চিকিৎসকরা বলছেন, এই ওষুধগুলির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মারাত্মক। তার ফলে ক্রমশ বাড়ছে অন্য অসুখ।
* বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ: ওষুধ নির্মাতা সংস্থাগুলিকে কঠোরভাবে জানানো হয়েছে, ওজন কমানোর ওষুধ নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর বা অতিরঞ্জিত প্রচার করা যাবে না।
* ওষুধের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার: কোন ওষুধ মেদ কমানোর জন্য অনুমোদিত এবং কোনটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট রোগের চিকিৎসার জন্য (যেমন টাইপ-২ ডায়াবেটিস), তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।
* চিকিৎসকের পরামর্শ বাধ্যতামূলক: চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া যেন কোনোভাবেই ওজন কমানোর ওষুধ বিক্রি না হয়, সে বিষয়ে ফার্মেসিগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে।
* পেশি ক্ষয়ের ঝুঁকি: দ্রুত ওজন কমানোর এই ওষুধগুলো শুধুমাত্র ফ্যাট কমায় না, বরং শরীরের পেশি বা মাসলও গলিয়ে দেয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
* পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: অর্লিস্ট্যাটের মতো ওষুধ সেবনে ভিটামিনের ঘাটতি, চর্মরোগ, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ে।
কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল, সোশ্যাল মিডিয়া বা বিজ্ঞাপনের প্রভাবে পড়ে সাধারণ মানুষ যেন নিজেদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি না করেন।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News