
কখনও খেয়ালে, কখনও বেখেয়ালে, কিছু কিছু মানুষের স্বভাবসিদ্ধভাবেই সর্বক্ষণ মুখে লেগে থাকে অশ্লীল গালাগালি। কাউকে গালিগালাজ করার উদ্দেশ্যে নয়, নিজের মনে মনেই এঁরা মিনিটে মিনিটে গালাগালি আওড়াতে থাকেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শ্রুতিকটূ কথা বলে ফেলে ভালো সম্পর্ককে একেবারে ব্রেক আপের পর্যায়ে নিয়ে যেতেও এঁদের জুড়ি মেলা ভার। পরিবারেও সবথেকে নচ্ছার হিসেবে এঁদের বদনাম অপ্রতুল। কিন্তু, এইসব গালাগালি করা মানুষগুলোর মানসিক অবস্থা সম্পর্কে গবেষকদের পরীক্ষানিরীক্ষা কী বলছে?
-
কীল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের সিনিয়র লেকচারার ড. রিচার্ড স্টিভেন্স জানিয়েছেন, গালি দেবার সময় মানুষের হৃৎপিন্ডের গতি বেড়ে যায়। মানুষ যদি প্রচণ্ড স্ট্রেস বা মানসিক চাপে থাকেন, অথবা খুব বেশি চমকে বা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, তখন এই ধরনের মানুষরা মুখ দিয়ে সাধারণ শব্দ বের করেন না। ভাষা হারিয়ে ফেলে এঁরা গালাগালি দেন। কারণ, ব্যথা বা উত্তেজিত হয়ে ওঠার খারাপ অনুভূতিকে কমিয়ে দেয় গালাগালি। ফলে, মানসিক এবং শারীরিক সহ্যশক্তি বাড়ে। অতএব, গালাগালি দেওয়া মানুষরা যে নিজের ভালোর জন্যই গালাগালি দেন, তা প্রমাণ করছে কীল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা।
Viral Video: আপনি কি মোমো খেতে ভালোবাসেন? তাহলে এই গা-ঘিনঘিনে ভিডিও হতে পারে মারাত্মক!
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে যে, গালিগালাজ করলে মন থেকে রাগ, ক্ষোভ বের হয়ে গিয়ে মানসিক চাপ দূর হতে পারে খুব সহজেই। মনোবিদরা বলছেন, যে সব মানুষ উত্তেজিত হয়েও গালাগালি দিতে পারেন না বা দেন না, তাঁদের অনেকের মধ্যে অবসাদ, উচ্চরক্তচাপ অথবা বিভিন্ন স্নায়বিক সমস্যা দেখা যায়। তুলনামূলকভাবে, যাঁরা সহজে গালাগাল দিয়ে চাপমুক্ত হন, তারাঁ মানসিক ভাবে অনেক বেশি সুস্থ থাকেন। তা ছাড়াও, গালিগালাজ করা মানুষরা তুলনায় গালাগালি না দেওয়া ব্যক্তিদের থেকে দৈহিকভাবে কম প্রতিক্রিয়াশীল হন। খুব রাগ হলে এঁরা হিংস্রতার পথ অবলম্বন না করে গালাগালি দিয়ে রাগ প্রশমিত করার চেষ্টা করেন।
Pranavayu Devta Pension: টাকার গাছ! রাখলেই পাবেন হাজার হাজার কড়কড়ে নোট, জেনে নিন ‘প্রাণবায়ু দেবতা’ স্কিম
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News