ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ভীষণ জরুরি। নিয়ম মেনে পুষ্টিকর খাবার খেলে ইনসুলিনের প্রতি শরীরের রেসপন্স ভালো হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে রোগটি নিয়ন্ত্রণে থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের রোজকার ডায়েটে প্রচুর ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, মিনারেল, লিন প্রোটিন এবং তাজা ফল ও সবজি রাখা উচিত। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় এমন কয়েকটি খাবারের কথা আজ আমরা জানব।
28
বার্লি, ব্রাউন রাইস
বার্লি, ব্রাউন রাইস, মিলেট এবং ওটসের মতো গোটা শস্যে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার থাকে। এই খাবারগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। পাশাপাশি শরীরের ওজন কমাতেও এগুলো দারুণ কাজ করে।
38
ড্রাইফ্রুটস
রোজকার ডায়েটে আমন্ড, কাজু, পেস্তা এবং আখরোট রাখলে রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। বাদামে থাকা আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ভিটামিন এবং মিনারেল শরীরের প্রদাহ কমায়। এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতেও সাহায্য করে।
খাওয়ার পর রক্তে সুগারের মাত্রা কমাতে আমলকী দারুণ কাজ করে। এটি ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায় এবং স্বাস্থ্যকর HbA1c লেভেল ধরে রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকী খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে সাহায্য করে।
58
বিটের জুস
বিটরুট খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনই এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অনেক কম থাকে। ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্টে ভরপুর এই সবজি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে। বিটরুটের প্রাকৃতিক চিনি শরীরে খুব দ্রুত গ্লুকোজে পরিণত হয় না, তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একদম নিরাপদ।
68
টমেটো
টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে লাইকোপেন থাকে, যা হার্টের জন্য ভীষণ উপকারী। এটি রক্তচাপ কমায় এবং ডায়াবেটিস সংক্রান্ত হার্টের জটিলতার ঝুঁকি দূর করে। ভিটামিন সি, ভিটামিন এ এবং পটাশিয়ামে ভরপুর টমেটোতে কার্বোহাইড্রেট ও ক্যালোরি কম থাকে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি আদর্শ খাবার।
78
কুমড়োর বীজ
ফ্যাট বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার ক্রেভিং কমাতে এক মুঠো কুমড়োর বীজ দারুণ কাজ করে। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এই বীজ খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে এবং খিদের অনুভূতি কমে।
88
ফ্ল্যাক্স সিড
ফ্ল্যাক্স সিড বা তিসির বীজে প্রচুর পরিমাণে লিগনান নামক অদ্রবণীয় ফাইবার থাকে। এটি হার্টের সমস্যা এবং ডায়াবেটিস সংক্রান্ত স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এই বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়।