
বিয়ের আগে বর-কনের স্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থতা নিশ্চিত করতে চারটি মূল মেডিকেল পরীক্ষা (থ্যালাসেমিয়া, রক্তের গ্রুপ ও Rh ফ্যাক্টর, যৌনরোগ, সংক্রামক রোগ) অত্যন্ত জরুরি। এই পরীক্ষাগুলো জিনগত রোগ, রক্তের অমিলজনিত জটিলতা এবং সংক্রামক ব্যাধি আগে থেকেই সনাক্ত করে সুস্থ দাম্পত্য জীবন গড়তে সাহায্য করে।
১.থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং (Thalassemia Test):
* কেন জরুরি: বর-কনে দুজনেই যদি থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার বা বাহক হন, তবে অনাগত সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে। * সুবিধা: বিবাহের আগেই এই পরীক্ষা করলে মারাত্মক এই বংশগত রোগ থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচানো সম্ভব।
* কেন জরুরি: বরের রক্ত পজিটিভ এবং কনের নেগেটিভ (Rh-) হলে গর্ভাবস্থায় জটিলতা, এমনকি বাচ্চার মৃত্যুর ঝুঁকি থাকতে পারে।
* সুবিধা: Rh ফ্যাক্টরের অমিল থাকলে আগে থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবস্থা (যেমন- ইনজেকশন) নেওয়া যায়।
* কেন জরুরি: এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি এবং সি হলো মারাত্মক সংক্রামক রোগ, যা স্বামী থেকে স্ত্রী বা স্ত্রীর থেকে স্বামী এবং অনাগত সন্তানের মধ্যে ছড়াতে পারে। * সুবিধা: আগে ধরা পড়লে সঠিক চিকিৎসা শুরু করা এবং রোগ ছড়ানো রোধ করা সম্ভব হয়।
* কেন জরুরি: সিফিলিস, গনোরিয়ার মতো রোগগুলো প্রজনন ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে এবং অনাগত শিশুর ক্ষতি করতে পারে। * সুবিধা: এগুলোর চিকিৎসার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বন্ধ্যাত্ব বা জটিলতা এড়ানো যায়।
পরামর্শ: বিয়ের কথা চূড়ান্ত হওয়ার পর, কিন্তু বিয়ের অন্তত ২-৩ মাস আগে এই পরীক্ষাগুলো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করা উচিত।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News