
Other Lifestyle Tips: অ্যাকোয়ারিয়ামের জল ফেলে না দিয়ে বাগানে ব্যবহার করলে গাছপালা সতেজ ও দ্রুত বাড়ে কারণ এতে মাছের বর্জ্য থেকে আসা নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও অন্যান্য খনিজ উপাদান থাকে, যা গাছের স্বাভাবিক সার হিসেবে কাজ করে, তবে লবণাক্ত জলের ট্যাঙ্ক বা রাসায়নিক ব্যবহার করা হলে তা ব্যবহার করা উচিত নয়, এবং খাওয়ার সবজি গাছে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
* পুষ্টির উৎস: মাছের বর্জ্য (অ্যামোনিয়া, ইউরিয়া) ব্যাকটেরিয়া দ্বারা নাইট্রেটে রূপান্তরিত হয়, যা গাছের জন্য একটি চমৎকার সার, বিশেষ করে নাইট্রোজেন, যা পাতার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
* প্রাকৃতিক উপাদান: এতে ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং অন্যান্য উপকারী খনিজ পদার্থও থাকে, যা গাছের স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি উন্নত করে।
• জলের গুণমান: এটি জলকে দূষিত না করে মাটির মাইক্রোব এবং গাছের শিকড় দ্বারা ধীরে ধীরে শোষিত হয়, যা গাছের জন্য নিরাপদ।
কখন ব্যবহার করবেন না?
* লবণাক্ত জলের ট্যাঙ্ক: লবণাক্ত জল গাছের জন্য ক্ষতিকর, তাই শুধু মিঠা জলের অ্যাকোয়ারিয়ামের জল ব্যবহার করুন।
* রাসায়নিক ব্যবহার: যদি ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে কোনো রাসায়নিক বা ওষুধ ব্যবহার করা হয়, তবে সেই জল ব্যবহার করা উচিত নয়।
•খাওয়ার গাছ: যে সবজি বা ভেষজ গাছ আপনি খাবেন (যেমন টমেটো, ভেষজ), সেগুলোতে অ্যাকোয়ারিয়ামের জল ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
* ট্যাঙ্কের জল পরিবর্তনের সময়, সাধারণ জলের পরিবর্তে এই জল সরাসরি গাছের গোড়ায় দিন বা স্প্রে করুন।
* এটি গাছের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করবে এবং তাদের সতেজ ও ফুলে ফেঁপে উঠতে সাহায্য করবে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।