
রাতে বারবার কেঁদে ওঠা শিশুর ঘুমের ব্যাঘাত ও মা-বাবার দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। আয়ুর্বেদ অনুসারে, এর মূল কারণ বায়ু দোষ বা পেট খারাপ। সামান্য তেল মালিশ ও উষ্ণ পরিবেশ এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। বিস্তারিত নিচে দেওয়া হল।
* ১. পেটে তেল মালিশ: হালকা গরম ক্যাস্টর অয়েল বা সর্ষের তেল
শিশুর পেটে ঘড়ির কাঁটার দিকে (clockwise) আলতোভাবে মালিশ করুন। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য বা গ্যাসের সমস্যা কমায়।
* ২. পায়ের পাতায় মালিশ: সর্ষের তেল দিয়ে শিশুর পায়ের পাতার মাঝখানে ও আঙুল মালিশ করলে ভালো ঘুম হয়।
* ৩. উষ্ণ সেঁক: পেটে বা পিঠে হালকা গরম জলের ব্যাগ বা কাপড় দিয়ে সেঁক দিন। এটি পেট ব্যথা থেকে দ্রুত আরাম দেয়।
* ৪. আরামদায়ক পরিবেশ: শিশু যেন অতিরিক্ত গরমে বা ঠান্ডায় না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। ঘুমের সময় হালকা গান বা মৃদু আলো পরিবেশ শান্ত রাখে।
* ৫. দেশি ঘি- আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, পায়ের তালুতে সামান্য গরম দেশি ঘি মালিশ করলে শরীরের উত্তেজনা প্রশমিত হয়। রাতে শোওয়ানোর আগে বাচ্চার দুই পায়ের পাতায় হালকা হাতে ঘি মালিশ করে দিন। এটি শরীরকে শিথিল করে এবং গভীর ঘুম আনতে সাহায্য করে।
* ৬. অশ্বগন্ধা- যদি আপনার সন্তান একটু বড় হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সামান্য অশ্বগন্ধার গুঁড়ো হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারেন। এটি প্রাকৃতিকভাবে উদ্বেগ কমায় এবং পেশিকে আরাম দেয়।
* ৭. ব্রাহ্মী তেল- বাচ্চার মাথায় ব্রাহ্মী তেল দিয়ে আলতো মালিশ স্নায়ুকে শান্ত রাখে। এটি শুধু ঘুমের মান উন্নত করে না, বাচ্চার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।
* ৮. কারণ অনুসন্ধান: খিদে, ভেজা ডায়াপার, বা অপরিণত ঘুমের চক্রের কারণেও শিশুরা জেগে উঠে কাঁদতে পারে।
সতর্কতা: যদি কান্না অবিরাম চলে এবং জ্বর থাকে, তবে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
দ্রষ্টব্য: এই টিপসগুলো ঘরোয়া প্রতিকার। শিশুর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী পদ্ধতি পরিবর্তন হতে পারে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News