
Health Tips: আপনার পরিবার নিরাপদ নয়। বাজারে প্রচলিত ডিশওয়াশিং লিকুইডে সোডিয়াম লরিল সালফেট, ফসফেট, ক্লোরিন ব্লিচ এবং সিন্থেটিক সুগন্ধির মতো কড়া রাসায়নিক থাকে, যা বাসনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। এটি গ্যাস্ট্রাইটিস, আলসার, অন্ত্রের সমস্যা এবং এমনকি ক্যানসারের কারণও হতে পারে।
রান্নাঘরের বাসনপত্র তকতকে রাখা চাই। উপায়? ডিশওয়াশিং লিকুইড। মাসকাবারির ফর্দে যা না থাকলেই নয়। অপরিচ্ছন্ন বাসন কি আবার লোকসমাজে ব্যবহার করা যায় নাকি? তাই তো ঝকঝকে তকতকে রাখতে মরিয়া প্রয়াস। এক ফোঁটা লিকুইড সাবানের জাদুতেই আজকাল কেল্লাফতে! কিন্তু বাসনপত্র চমকাতে গিয়ে কোথাও বোধয় আমরা নিজেদের ক্ষতি করে ফেলছি। কীভাবে জানেন কি?
* রাসায়নিক রেসিডিউ (অবশিষ্টাংশ): পাত্র ভালো করে ধোয়ার পরেও লিকুইডের অদৃশ্য স্তর থেকে যায়, যা পরে খাবারের সাথে মিশে শরীরে প্রবেশ করে।
* হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: এতে থাকা ফ্লেটেটস এবং প্যারাবেনস এন্ডোক্রাইন সিস্টেমকে ব্যাহত করে, যা প্রজনন সমস্যা তৈরি করতে পারে।
* শ্বাসকষ্ট ও অ্যালার্জি: লিকুইডের কড়া গন্ধ থেকে হাঁপানি ও ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে পারে।
* ক্যানসারের ঝুঁকি: অনেক ডিশ সোপে ফর্মালডিহাইড বা 1,4-ডাইঅক্সেন-এর মতো উপাদান থাকে যা ক্যানসার সৃষ্টিকারী।
* মাইক্রোপ্লাস্টিক: লিকুইড ধোয়ার পর স্পঞ্জ বা স্ক্রাবারে আটকে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিকও বাসনের মাধ্যমে শরীরে ঢুকতে পারে।
পরিবারকে সুরক্ষিত রাখার উপায়:
* পরিমাণ কমান: লিকুইড অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন এবং জল দিয়ে বারবার ধুয়ে ফেলুন।
* প্রাকৃতিক উপাদান: লেবু, ভিনেগার বা বেকিং সোডার মতো প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে বাসন পরিষ্কার করুন।
* বিষমুক্ত লিকুইড: হার্বাল বা প্ল্যান্ট-বেসড ডিশওয়াশ লিকুইড ব্যবহার করুন।
* স্পঞ্জ পরিষ্কার রাখুন: স্ক্রাবার বা স্পঞ্জ নিয়মিত গরম জলে ফুটিয়ে পরিষ্কার করুন, কারণ এতে জীবাণু বাসা বাঁধে।
পরিবারের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে আজই সিন্থেটিক কেমিক্যাল থেকে বেরিয়ে এসে প্রাকৃতিক বা নিরাপদ উপায়ের দিকে ঝোঁকা প্রয়োজন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News