
Health Tips: ভারতীয় খাবারের সঙ্গে ঘি-এর সম্পর্ক বহু পুরনো। দক্ষিণ ভারতে ঘি দিয়ে ভাত খাওয়ার প্রচলন হোক কিংবা উত্তর ভারতে ডাল-ভাতের সঙ্গে এক চামচ ঘি মিশিয়ে নেওয়া, এই অভ্যাস বহু প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। বাঙালি বাড়িতেও গরম ভাতের উপর সামান্য ঘি ছড়িয়ে দিলে তার গন্ধ ও স্বাদ দুটোই বেড়ে যায়। কিন্তু এই ঘি কি শুধুই স্বাদের জন্য? না, সঠিক পরিমাণে ঘি খেলে শরীরের কিছু দারুণ পুষ্টিগত উপকারও হতে পারে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও ঘি-কে 'সুপারফুড' বলা হয়েছে।
১. হজম শক্তি বাড়ায়: ঘি-তে রয়েছে বিউটারিক অ্যাসিড, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। গরম ভাতের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে তা সহজে হজম হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: খাঁটি দেশি ঘি-তে রয়েছে ভিটামিন A, D, E এবং K, যা আমাদের ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করে। এটি শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে।
৩. মস্তিষ্কের জন্য ভালো: ঘি-তে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি ভালো রাখে। ছোট বাচ্চাদের জন্য ঘি অত্যন্ত উপকারী।
৪. ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কমায়: সাদা ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি, যা সুগার বাড়াতে পারে। কিন্তু ভাতের সঙ্গে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খেলে তার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কমে যায়, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় না।
প্রতিদিন কতটা ঘি খাবেন?
সব ভালো জিনিসেরও একটা সঠিক পরিমাণ আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে ১ থেকে ২ চা চামচ (প্রায় ১০-১৫ গ্রাম) ঘি খেতে পারেন। যাদের ওজন বেশি, কোলেস্টেরল বা হৃদরোগের সমস্যা আছে, তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ঘি খাবেন।
সবসময় চেষ্টা করবেন খাঁটি, দেশি গরুর দুধের তৈরি ঘি খেতে। ভেজাল ঘি উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করবে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News