Adenoids in Children: আপনার বাচ্চা কি পড়াশোনার সময় ঝিমিয়ে যাচ্ছে? কারণ হতে পারে অ্যাডিনয়েড

Published : Jun 03, 2026, 02:47 PM IST
stress

সংক্ষিপ্ত

অনেক সময় বাচ্চাদের পড়াশোনায় অমনোযোগের কারণ হতে পারে অ্যাডিনয়েড গ্রন্থির স্ফীতি। এর ফলে শ্বাসকষ্ট, ঘুমের অভাব এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়, যা তাদের ক্লাসে অমনোযোগী ও ক্লান্ত করে তোলে। 

বাচ্চারা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়লে বা ক্লাসে মন না দিলে আমরা প্রায়ই তাদের বকাবকি করি। কিন্তু এর পেছনে একটা বড় শারীরিক সমস্যাও থাকতে পারে, যার জন্য হয়তো তারা ঠিকমতো শ্বাসই নিতে পারছে না। এই সমস্যার নাম অ্যাডিনয়েড (Adenoids) গ্রন্থির স্ফীতি।

অ্যাডিনয়েড হলো নাকের পেছনে থাকা এক ধরনের লিম্ফ গ্ল্যান্ড। এটি যখন অতিরিক্ত বড় হয়ে যায়, তখন শিশুর শ্বাস নেওয়ার রাস্তা আটকে যায়। চলুন দেখে নেওয়া যাক, এই সমস্যাটা কীভাবে বাচ্চাদের পড়াশোনার ক্ষতি করে।

সমস্যাটা কোথায়?

- শ্বাস নিতে কষ্ট: নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়লে বাচ্চারা সব সময় মুখ খুলে শ্বাস নিতে শুরু করে।

- ঘুমের অভাব: রাতে প্রচণ্ড নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে হঠাৎ শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া (Sleep Apnea)-র মতো সমস্যার কারণে শিশুর গভীর ঘুম হয় না।

১. অক্সিজেনের ঘাটতি: ঠিকমতো শ্বাস নিতে না পারার কারণে শরীর ও মস্তিষ্কে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পৌঁছায় না।

২. দিনের বেলায় ক্লান্তি: রাতে ঘুম ঠিকঠাক না হওয়ায় দিনের বেলায় ক্লাসে প্রচণ্ড ক্লান্তি আসে এবং ঘুম পায়।

৩. পড়াশোনায় অমনোযোগ: এর ফলে কোনও কিছুতে মন দিতে না পারা, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, খিটখিটে মেজাজ এবং হাইপারঅ্যাকটিভিটির মতো আচরণগত সমস্যা দেখা দেয়।

এই লক্ষণগুলো খেয়াল করুন

• সব সময় মুখ খুলে ঘুমানো বা শ্বাস নেওয়া।

• একটানা নাক বন্ধ থাকা এবং সর্দি-কাশির সমস্যা।

• সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা এবং শরীরে আলস্য।

• কথা বলার সময় নাকে নাকে কথা বলা (Nasal Voice)।

• খাবার গিলতে অসুবিধা হওয়া।

• অ্যাডিনয়েড ফেস (Adenoid Face): দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করালে শিশুর মুখের গঠনও বদলে যেতে পারে (যেমন- লম্বাটে মুখ এবং সব সময় মুখ খোলা থাকা)।

এর সমাধান কী?

এটা শুধু পড়াশোনার সমস্যা নয়, এটি একটি শারীরিক অসুস্থতা যার জন্য সঠিক চিকিৎসার প্রয়োজন।

• ওষুধপত্র: প্রাথমিক পর্যায়ে অ্যালার্জি কন্ট্রোল করে এবং কিছু নেজাল স্প্রে ব্যবহার করে এই সমস্যা সারানো যায়।

• প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে ওষুধেই কাজ হয়। তবে সমস্যা গুরুতর হলে অপারেশনের প্রয়োজন হতে পারে।

অপারেশন (Adenoidectomy): যদি শ্বাসকষ্ট মারাত্মক আকার নেয়, কানে শোনার সমস্যা হয় এবং শিশুর পড়াশোনা ও বেড়ে ওঠায় বাধা সৃষ্টি করে, তবে একটি সহজ অপারেশনের মাধ্যমে অ্যাডিনয়েড বাদ দেওয়া হয়। মনে রাখবেন, বাচ্চাদের নাক ডাকা স্বাভাবিক নয়। আপনার সন্তানের মধ্যে এই লক্ষণগুলো দেখলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একজন শিশু বিশেষজ্ঞ বা ইএনটি (ENT) ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সঠিক সময়ে চিকিৎসা করালে আপনার সন্তানের পড়াশোনার ক্ষমতা এবং স্বাস্থ্য, দুটোই ফিরে আসবে।

PREV

Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News

Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Bedroom Plant: বেডরুমে রাখুন এই ৭টি গাছ, মিলবে ঠান্ডা ঘর, শুদ্ধ হাওয়া
Gut Health: এই খাবারগুলি পেট রাখবে চাঙ্গা, অন্ত্র থাকবে সুরক্ষিত