বাজারে গিয়ে দোকান থেকে কিনে নিয়ে এলেন হিমসাগর। কিন্তু খাওয়ার সময় বুঝলেন ঠকে গিয়েছেন। হিমসাগর বলে আপনাকে অন্য কোনও বিক্রি করেছে দোকানদার। এই সমস্যা প্রায় সকলেই এখন ফেস করছেন। কারণ, বাজারে এমন অনেক জাতের আমই দেখা যায় যার মিল রয়েছে হিমসাগরের সঙ্গে।
বাজারে গিয়ে দোকান থেকে কিনে নিয়ে এলেন হিমসাগর। কিন্তু খাওয়ার সময় বুঝলেন ঠকে গিয়েছেন। হিমসাগর বলে আপনাকে অন্য কোনও বিক্রি করেছে দোকানদার। এই সমস্যা প্রায় সকলেই এখন ফেস করছেন। কারণ, বাজারে এমন অনেক জাতের আমই দেখা যায় যার মিল রয়েছে হিমসাগরের সঙ্গে। তীব্র চাহিদার সুযোগ নিয়ে কারচুপির সম্ভাবনা তাই প্রবল। কিন্তু আমের সঠিক জাত চেনা থাকলে এই বিভ্রাট এড়ানো সম্ভব। কীভাবে চিনবেন আসল হিমসাগর?
26
হিমসাগর আম সাধারণত মাঝারি থেকে বড় আকারের হয় এবং ডিম্বাকৃতি বা গোলাকার হয়। এর দুই প্রান্ত সামান্য চ্যাপ্টা এবং বোঁটার দিকে একটি সুস্পষ্ট চঞ্চুর মতো ডগা থাকে।
36
একটি স্বাভাবিক হিমসাগর আমের ওজন ২৫০ থেকে ৩৫০ গ্রাম হয়ে থাকে। এর বড় সাধারণত হয় না।
46
হিমসাগর আমের খোসা মসৃণ, পাতলা এবং পাকলে সোনালি হলুদ হয়ে যায়। কাঁচা অবস্থায় এতে হালকা সবুজাভ আভা থাকতে পারে, কিন্তু পরিপক্ক হলে সবুজ রঙটি মিলিয়ে যায়।
56
হিমসাগর আমের খোসা খুব বেশি আঁশযুক্ত নয় এবং দেখতে কিছুটা চকচকে হয়। অন্যান্য কিছু আমের জাতের তুলনায় এটি পাতলা এবং নরম। হিমসাগর আম তার তীব্র, মিষ্টি সুগন্ধের জন্য পরিচিত। মাঝারি আকারের এই আমের স্বাদ অত্যন্ত মিষ্টি। গন্ধেই লুকিয়ে থাকে এর আসল পরিচয়। যখন আপনি একটি পাকা হিমসাগর আম আপনার নাকের কাছে আনবেন, তখন আপনি একটি স্বতন্ত্র এবং মনোরম সুগন্ধ টের পাবেন।
66
হিমসাগর আম বেশি পেকে গেলে চামড়ায় ভাঁজ পড়ে। রং গাঢ় হলুদ হয়ে যায়। হিমসাগর আমের একটি ছোট থেকে মাঝারি আকারের বীজ থাকে যা চ্যাপ্টা এবং পাতলা।