
Migraine Tips: মাইগ্রেন শুধুমাত্র একটি সাধারণ মাথাব্যথা নয়। যাঁরা এই সমস্যায় ভোগেন, তাঁরা জানেন এই ব্যথা কতটা তীব্র এবং দৈনন্দিন জীবনকে কতটা বিপর্যস্ত করতে পারে।
সেক্ষেত্রে যদি মাইগ্রেন শুরু হয় তাহলে দ্রুত আরাম পেতে অন্ধকার ও শান্ত ঘরে বিশ্রাম নিন। কপালে ও ঘাড়ে ঠান্ডা সেঁক দিন, পর্যাপ্ত জল পান করুন, আদা চা পান করুন, ল্যাভেন্ডার বা পুদিনা তেল ব্যবহার করুন, হালকা ম্যাসাজ করুন এবং ক্যাফেইন ও স্ট্রেস এড়িয়ে চলুন। এই উপায়গুলো ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, তবে ঘন ঘন হলে ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি।
তাৎক্ষণিক আরামের জন্য করণীয়:
* বিশ্রাম নিন: একটি অন্ধকার, শান্ত এবং ঠান্ডা ঘরে শুয়ে থাকুন। আলো ও শব্দ থেকে দূরে থাকা মাইগ্রেন কমাতে কার্যকর।
* ঠান্ডা/গরম সেঁক: কপালে বা ঘাড়ে ঠান্ডা জলের কাপড় বা বরফের প্যাক রাখুন (ঠান্ডা সেঁক রক্তনালী সংকুচিত করে) অথবা হালকা গরম সেঁক নিতে পারেন।
* জল পান করা : ডিহাইড্রেশন মাইগ্রেনের কারণ হতে পারে, তাই পর্যাপ্ত জল পান করুন।
* আদা: আদা চা পান করলে মাইগ্রেনের ব্যথা ও বমি বমি ভাব কমে, কারণ এটি প্রদাহ কমায়।
* অত্যাবশ্যকীয় তেল: ল্যাভেন্ডার বা পুদিনা তেল কপালের দু'পাশে মালিশ করলে আরাম মেলে, অথবা এগুলোর সুগন্ধ নিতে পারেন।
* ম্যাসাজ ও চাপ: কপাল, ঘাড় এবং কাঁধের পেশিতে হালকা ম্যাসাজ বা চাপ দিলে আরাম পাওয়া যায়।
* ক্যাফেইন: অল্প পরিমাণে ক্যাফেইন (যেমন কফি) কিছু ক্ষেত্রে আরাম দিলেও, অতিরিক্ত ক্যাফেইন বা হঠাৎ ছেড়ে দিলে ব্যথা বাড়তে পারে, তাই পরিমিতি জরুরি।
মাইগ্রেন প্রতিরোধে জীবনযাত্রার পরিবর্তন
* পর্যাপ্ত ঘুম: নিয়মিত একই সময়ে ঘুমানো ও জাগা মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
* স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: যোগব্যায়াম, ধ্যান বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।
* খাবার নিয়ন্ত্রণ: চিজ, চকলেট, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন যা মাইগ্রেন বাড়াতে পারে।
* স্ক্রিন টাইম: মোবাইল বা কম্পিউটারের অতিরিক্ত ব্যবহার কমান, কারণ এটি একটি বড় ট্রিগার।
কখন ডাক্তার দেখাবেন:
* যদি ঘরোয়া প্রতিকারে কাজ না হয়, ব্যথা খুব তীব্র হয়, অথবা ঘন ঘন মাইগ্রেন হয়, তাহলে দেরি না করে একজন নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিন।