
infant diabetes: নবজাতকের ডায়াবেটিস প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসের (type 2 diabetes) মতো নয়। এর প্রধান কারণ জিনগত পরিবর্তন, যে জিনগুলি ইনসুলিন তৈরি বা নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে, সেগুলির ত্রুটি থেকে এই সমস্যা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, গর্ভাবস্থায় মায়ের খাবার, জীবনযাপন বা কোনও অভ্যাসের জন্য এই রোগ হয় না। তাই এই রোগ ধরা পড়লে বাবা-মায়ের নিজেদের দোষারোপ করার কোনও কারণ নেই।
এই উপসর্গগুলি অন্য অনেক সাধারণ সমস্যার সঙ্গে মিলে যাওয়ায় রোগ ধরা পড়তে দেরি হয়। অনেক সময় মেটাবলিজমের গুরুতর সমস্যা শুরু না হওয়া পর্যন্ত রোগ শনাক্তই হয় না। কোনও নবজাতকের রক্তে শর্করা বারবার বেশি থাকলে শুধু সাধারণ চিকিৎসা নয় - জেনেটিক পরীক্ষা করা জরুরি।
সদ্যোজাতের ক্ষেত্রে মায়ের বুকের দুধের কোনো বিকল্প নেই, বিশেষ করে যদি মা ডায়াবেটিক হন। মায়ের দুধে থাকা অ্যান্টিবডি এবং পুষ্টি উপাদান বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। ডায়াবেটিক মায়ের শিশুর রক্তে শর্করা কমে যাওয়ার ঝুঁকি (Hypoglycemia) থাকে, তাই জন্মের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
* কম রক্ত শর্করা (Hypoglycemia): শিশু খুব বেশি ঘুমায়, শরীর দুর্বল বা নিস্তেজ, অতিরিক্ত কান্নাকাটি, শরীর কাঁপানো, অথবা ঠিকমতো বুকের দুধ না খাওয়া।
* শ্বাসকষ্ট: দ্রুত শ্বাস নেওয়া, শ্বাস নেওয়ার সময় বুকের খাঁচা ডেবে যাওয়া।
* শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ না হওয়া: শরীর খুব ঠান্ডা বা খুব গরম হয়ে যাওয়া।
* জন্ডিস: জন্মের পরপরই ত্বক বা চোখ অস্বাভাবিক হলুদ হয়ে যাওয়া।
* ওজন বৃদ্ধি না পাওয়া: বুকের দুধ পর্যাপ্ত না পেলে বা শিশু ঠিকমতো না খেলে ওজন কমে যাওয়া বা স্থবির হয়ে পড়া।
* অতিরিক্ত ওজনের শিশু: যদি শিশু জন্মের সময়ই ৯ পাউন্ড বা তার বেশি ওজনের হয়, তবে তাদের বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন।
বিশেষ পরামর্শ: মায়ের দুধের বিকল্প নেই, তবে ডায়াবেটিক মায়েদের দুধ আসতে কিছুটা দেরি হতে পারে । সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আগে থেকেই দুধ বা বুকের দুধের বিকল্প (যদি প্রয়োজন হয়) এর ব্যবস্থা রাখা ভালো। জন্মের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা বাচ্চার গ্লুকোজের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News