সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার ডার্ক ওয়েবের ঝুঁকি বাড়ায়। ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন, নাহলে প্রতারণার শিকার হতে পারেন। শিশুদের ছবি, লোকেশন, ঠিকানা ইত্যাদি গোপনীয় তথ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।
সোশ্যাল মিডিয়াতে কোন কোন বিষয়গুলি সবার সামনে তুলে আনা উচিত নয় তা নিয়ে স্বচ্ছ ধারণা সকলের নেই।
29
সোশ্যাল মিডিয়া নেহাতই এন্টারটেনিং এর জন্য ব্যবহার করতে গিয়ে ডার্ক ওয়েবের জলে জড়িয়ে পড়ছি না তো?
39
ভেবে দেখুন। আমরা ওয়েবর মাত্র ১০ শতাংশই ব্যবহার করতে পারি। বাকি ৯০ শতাংশ ডার্ক ওয়েব যা কিনা আমাদের সাধারণ মানুষদের বোঝার বা ব্যবহারের উর্দ্ধে।
49
আর সমস্তটা না জেনেই যেভাবে খুশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে অনেকে যেমন নিজের সর্বস্ব খুইয়েছেন, তেমনি অনেকে নিয়েছিলেন নিজের জীবনের ঝুঁকি। নিজেও প্রতারণার শিকার হবেন না, কারোকে হতেও দেবেন না।
59
কোন কোন বিষয়গুলিতে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি :
১. কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেস, ফোনের কোনো অ্যাকাউন্ট, পাসওয়ার্ড কখনওই সমাজ মাধ্যমে কোনও পোস্টেই উল্লেখ করা যাবে না।
69
২. যেকোনো মাধ্যমের কোনো পোস্টে কখনওই লোকেশন ট্যাগ করবেন না। আপনি কোথায় বেড়াতে বা খেতে যান বা গেছেন , সেই ছবি দিলেও লোকেশন জানাবেন না।
৩. এতো বছরে রক্ত জল করে নিজের সাধের বাড়ি গড়িয়েছেন সেই সুখবর সবার সাথে ভাগ করে নিতে ইচ্ছে করে জানি। তবে নিজের বাড়ির ছবি, ঠিকানা বা বাড়ির নম্বর, কোনো ল্যান্ডমার্ক এর উল্লেখ করবেন না।
79
৪. আপনার বাচ্চা কোন স্কুলে বা ক্লাসে পড়ছে? কোন ইউনিফর্ম পরে কোথায় যাচ্ছে, সেই ছবি কখনই পোস্ট করবেন না। শিশু পাচারকারীরা সমাজ মাধ্যমেও ঘুরে বেড়ায় তথ্যের আশায়।
89
৫. অনেকেই আছেন যারা নিত্যদিনের জীবন যাপন সর্বসমক্ষে তুলে ধরেন সোশ্যাল মিডিয়াতে, জা বিপজ্জনক। আপনি বুঝতেও পারবেন না, কখন আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হ্যাকারদের মাধ্যমে ডার্ক ওয়েবে চলে গেছে।
99
৬. সমাজমাধ্যমে নিজের বা পরিবার বা বন্ধু বান্ধবদের কিধারণের ছবি আপলোড করবেন সেটা একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। তবে সে ছবি, ভিডিয়ো বা রিলে কোনো শিশু নগ্ন থাকলে, শিশু সুরক্ষা কমিশন আইনি হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য। এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সতর্ক থাকুন।