
ফ্রিজের ডোর বা দরজা হলো ফ্রিজের সবচেয়ে উষ্ণ অংশ, তাই এখানে সহজে নষ্ট না হওয়া জিনিস রাখা উচিত। সস, জ্যাম, আচার, পানীয়, এবং মেয়োনিজের মতো প্রিজারভেটিভযুক্ত বা দীর্ঘস্থায়ী খাবারগুলো এখানে রাখা ভালো। দুধ, ডিম, কাঁচা মাছ-মাংস বা পচনশীল খাবার দরজায় রাখবেন না, কারণ তাপমাত্রা পরিবর্তনের ফলে এগুলোর গুণমান নষ্ট হতে পারে।
* সস এবং কন্ডিমেন্টস (Sauces & Condiments): কেচাপ, মেয়োনিজ, মাস্টার্ড, সয়াসস, স্যালাড ড্রেসিং ইত্যাদি। এগুলোতে ভিনেগার, লবণ ও চিনির পরিমাণ বেশি থাকে, যা সাধারণ তাপমাত্রার পরিবর্তনেও নষ্ট হয় না।
* আচার এবং জ্যাম (Pickles & Jams): দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষিত খাবার। এগুলো ফ্রিজের কম ঠান্ডা অংশেও ভালো থাকে।
* পানীয় (Beverages): জলের বোতল, জুস, কোল্ডড্রিংকস। দরজায় থাকলে সহজে হাতের কাছে পাওয়া যায় এবং ঘন ঘন দরজা খুললে এগুলো দ্রুত নষ্ট হয় না।
* শুকনো খাবার ও মাখন: বাটার, পিনাট বাটার, বাদাম, বা খোলা শুকনো খাবার।
১. দুধ (Milk): দরজার তাপমাত্রা ঘন ঘন ওঠানামা করায় দুধ দ্রুত নষ্ট হয়। এটি ভেতরের তাকে রাখা উচিত।
২. ডিম (Eggs): দরজার তাপমাত্রা ডিমের শেল (Shell) নষ্ট করতে পারে, যা ডিম তাড়াতাড়ি পচিয়ে ফেলে।
৩. কাঁচা মাছ-মাংস: তাপমাত্রার কারণে ব্যাকটোরিয়া জন্মাতে পারে।
৪. সবুজ শাকসবজি: বেশি তাপমাত্রায় শাকসবজি দ্রুত শুকিয়ে যায়।
* তাপমাত্রার ভারসাম্য: ফ্রিজের প্রধান চেম্বারটি ৩-৪°C এবং ফ্রিজার -১৮°C এ রাখা উচিত।
* ঢেকে রাখা: খাবার সবসময় ঢাকনা দেওয়া পাত্রে বা কাচের জারে রাখা উচিত, যাতে গন্ধ না ছড়ায় এবং ব্যাকটেরিয়া না জন্মে।
* ফ্রিজের উপরে: প্লাস্টিকের কৌটো, পাউরুটি, বা জলের বোতল ফ্রিজের ওপর রাখবেন না, এতে তাপের কারণে প্লাস্টিক গলে বিষক্রিয়া হতে পারে।
* পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: নিয়মিত (১-২ সপ্তাহ পর) ফ্রিজের ভেতরটা হালকা গরম জল ও ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করুন।
* ভেন্ট পরিষ্কার: ভেতরে খাবার এমনভাবে রাখুন যেন বাতাস চলাচলের ভেন্টগুলো বন্ধ না হয়ে যায়।
সংক্ষেপে, দরজায় কেবল বোতলজাত ও সংরক্ষিত খাবার রাখুন, আর পচনশীল খাবারগুলো ভেতরের তাকে রাখুন।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News