
চালের মধ্যে স্টার্চ (শ্বেতসার) বেশি থাকলে তা ভাতকে আঠালো বেশি করে।যদি বাসমতি চাল দিয়ে ভাত করেন তবে দেখবেন এই ভাত কম আঠালো হচ্ছে - কারণ বাসমতি চালে স্টার্চ সবচেয়ে কম থাকে | কিন্তু দৈনন্দিন আমরা যে চাল ব্যবহার করি, সেখানে স্টার্চ বাসমতি চাল থেকে অনেক বেশি থাকে | প্রথমত, চালটি জল দিয়ে ধুয়ে নিন | একবার ধোয়ার পর আবার চালের পাত্রে জল ভরুন, এবার হাত দিয়ে চাল ভালো ভাবে মেখে নিন এবং আরো দুইবার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন | লক্ষ্য করবেন যে হাত দিয়ে চাল ধোয়ার পর জল একটু বেশি ঘোলা হয়েছে | যখন ধোয়ার সময় জল সম্পূর্ণ পরিস্কার থাকবে, তখন বুঝবেন যে আর ধোয়াতে লাগবে না | জাপানীরা তাদের ভাত আঠালো করার জন্য হাত দিয়ে মাখে কিন্তু সেই জল না ফেলে বরং সেটি দিয়েই ভাত রান্না করে | চালের উপরের যে স্টার্চ রান্নার সময় সবচেয়ে বেশি বের হয়।
বাঙালিরা ভাত ঝরঝরে খুবই পছন্দ করে। আমার আঠালো ভাত নিরামিষ রান্নার সাথে ভালো যায়। যেমন আলু ভাতে খাওয়ার সময় আঠালো ভাত হলে ভালোই হয়। কিন্তু ভাত ঝরঝরে করতে গেলে চালের হাঁড়িতে ভাত রান্নার সময় ১ চামচ লেবুর রস বা সাদা ভিনেগার দিয়ে দিলে ভাত ধবধবে সাদা এবং ঝরঝরে হয়। এটি চালের স্টার্চ বা আঠালো ভাব দূর করতে সাহায্য করে । এছাড়া, চাল ফুটন্ত জলে দেওয়ার সময় ১-২ চামচ সয়াবিন তেল বা ঘি দিলেও ভাত একে অপরের সাথে লেগে যায় না।
* লেবুর রস: ভাত ফোটানোর সময় জলে ১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে দিলে ভাতের রঙ সুন্দর সাদা হয় ।
* তেল বা ঘি: চাল ফুটন্ত জলে দেওয়ার পর ২-৩ চামচ সয়াবিন তেল, রাইস ব্রান অয়েল, বা ঘি দিয়ে দিন। এতে ভাত আঠালো হবে না।
* সঠিক জল ও গরম জল : চালের তুলনায় ৫-৬ গুণ জল বেশি দিন । তবে জল ফুটে উঠলে চাল দিন, ঠান্ডা জল চাল দিলে ভাত আঠালো হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
* ভিনেগার: লেবুর রস না থাকলে ১ চামচ সাদা ভিনেগার ব্যবহার করলেও একই রকম ঝরঝরে ভাত পাওয়া যায়।
* মাড় ফেলে দেওয়া: ভাত ফুটে গেলে মাড় বা ফেন গালিয়ে নিলে ভাত বেশি ঝরঝরে হয়।
* পাত্র পরিবর্তন: ভাত হয়ে গেলে হাঁড়িতে না রেখে অন্য বড় পাত্রে ছড়িয়ে রাখুন, এতে ভাতের গরমে ভাত লেগে যাবে না
এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে সাধারণ চালের ভাতও ঝরঝরে এবং সুন্দর হয়ে থাকে ।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News