
Migraine Triggers: মাইগ্রেন শুধু মাথা ব্যথা নয়। এটা একটা স্নায়বিক সমস্যা। একবার শুরু হলে আলো, আওয়াজ, বমি - সব একসাথে আসে। অনেকেই ব্যথার ওষুধ খান কিন্তু যে কারণে মাইগ্রেন বাড়ছে সেটা ধরতে পারেন না। ডাক্তাররা বলছেন, রোজকার ৫টি সাধারণ ভুলের জন্যই মাইগ্রেন বারবার ফিরে আসছে।
১. অনিয়মিত ঘুম ও কম ঘুম : সমস্যা: রাত জাগা বা ৬ ঘণ্টার কম ঘুম মস্তিষ্কের নার্ভকে উত্তেজিত করে। উইকেন্ডে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠাও ট্রিগার। সমাধান: রোজ একই সময়ে ঘুমাতে যান ও উঠুন। ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন।
২. জল কম খাওয়া ও খাবার স্কিপ করা: সমস্যা: ডিহাইড্রেশন মাইগ্রেনের সবচেয়ে বড় কারণ। আবার ব্রেকফাস্ট বা লাঞ্চ স্কিপ করলে ব্লাড সুগার পড়ে গিয়ে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। সমাধান: দিনে ৩ লিটার জল। ৩-৪ ঘণ্টা অন্তর হালকা কিছু খান। চা-কফি কমান।
৩. স্ক্রিনের সামনে টানা বসে থাকা সমস্যা: ফোন, ল্যাপটপের নীল আলো আর একটানা চোখের চাপ চোখের নার্ভে চাপ দেয়। অফিসের স্ট্রেসের সাথে এটা মিশে মাইগ্রেন অ্যাটাক করে। সমাধান: প্রতি ২০ মিনিটে ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরে তাকান - "20-20-20 Rule"। স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কম রাখুন।
৪. কিছু নির্দিষ্ট খাবার খাওয়া সমস্যা: চিজ, চকোলেট, প্রসেসড মিট, MSG, অ্যালকোহল, কোল্ড ড্রিঙ্কস - এগুলোতে থাকা "টাইরামিন" অনেকের মাইগ্রেন ট্রিগার করে। সমাধান: একটা ফুড ডায়েরি রাখুন। কোন খাবারের পর ব্যথা বাড়ে নোট করুন। ট্রিগার ফুড এড়িয়ে চলুন।
৫. স্ট্রেস নিয়ে চুপ করে থাকা সমস্যা: অফিসের চাপ, টেনশন সরাসরি মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। স্ট্রেস কমার পর "Let-down Migraine" ও হয়। সমাধান: রোজ ১০ মিনিট ধ্যান, শ্বাসের ব্যায়াম করুন। হাঁটুন। প্রয়োজনে মনের কথা কারো সাথে শেয়ার করুন।
কখন ডাক্তার দেখাবেন মাসে ৪ বারের বেশি মাইগ্রেন হলে, ওষুধে কাজ না হলে, চোখে ঝাপসা দেখলে বা হঠাৎ খুব তীব্র ব্যথা হলে দেরি না করে নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিন। মাইগ্রেন পুরোপুরি সারানো যায় না, কিন্তু কন্ট্রোল করা যায়। ওষুধের সাথে যদি এই ৫টি ভুল শুধরে নেন, তাহলে অ্যাটাকের ফ্রিকোয়েন্সি ৫০% পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News