
বর্ষাকাল বাঙালির কাছে ভোজন-বিলাসের ঋতু। জানালার বাইরে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি, আর রান্নাঘর থেকে ভেসে আসছে সরষের তেল আর গরম মশলার গন্ধ, এর থেকে ভালো আর কী হতে পারে? এই সময়ে ইলিশ বা চিংড়ি না হলে দুপুরের খাওয়া যেন অসম্পূর্ণ। আজ আমরা শিখে নেব বর্ষার স্পেশাল, জিভে জল আনা তেল-ঝালে কষা ভুনা চিংড়ির রেসিপি, যা একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে।
- বাগদা বা গলদা চিংড়ি - ৫০০ গ্রাম (মাঝারি সাইজ)
- পেঁয়াজ - ৩টি বড় (ঝিরি ঝিরি করে কাটা)
- টমেটো - ১টি বড় (কুচি করা)
- আদা বাটা - ১ চা চামচ
- রসুন বাটা - ১ চা চামচ
- হলুদ গুঁড়ো - ১ চা চামচ
- কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো - ১ চা চামচ (রঙের জন্য)
- জিরে ও ধনে গুঁড়ো - ১ চা চামচ করে
- গরম মশলা গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ
- কাঁচা লঙ্কা - ৫-৬ টি
- সরষের তেল - ৪ টেবিল চামচ
- নুন - স্বাদ মতো
- ধনেপাতা কুচি - সাজানোর জন্য
চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে, সুতো বের করে ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার সামান্য নুন ও হলুদ মাখিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। কড়াইতে সরষের তেল ভালো করে গরম করে চিংড়িগুলো ২ মিনিট মতো হালকা ভেজে তুলে নিন। খেয়াল রাখবেন বেশি ভাজলে চিংড়ি শক্ত ও রাবারের মতো হয়ে যাবে।
ওই একই তেলে আর একটু তেল যোগ করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এবার আদা-রসুন বাটা দিয়ে কাঁচা গন্ধ চলে যাওয়া পর্যন্ত কষান। টমেটো কুচি, হলুদ, লঙ্কা, জিরে ও ধনে গুঁড়ো দিয়ে দিন। সামান্য জল ছিটিয়ে মশলাটা ভালো করে কষাতে থাকুন যতক্ষণ না মশলা থেকে তেল ছেড়ে আসে।
মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে ভেজে রাখা চিংড়িগুলো কড়াইতে দিয়ে দিন। আঁচ কমিয়ে ৫-৭ মিনিট ধরে কষাতে থাকুন, যাতে মশলা চিংড়ির ভেতরে ঢুকে যায়। এই সময় ঢাকা দেবেন না, তাহলে জল বেরিয়ে যাবে। শুকনো শুকনো ভুনা ভুনা হবে।
চিংড়ি সেদ্ধ হয়ে এলে ওপর থেকে কাঁচা লঙ্কা চিরে, গরম মশলা গুঁড়ো এবং ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন। সবশেষে ১ চা চামচ কাঁচা সরষের তেল ছড়িয়ে ১ মিনিট ঢাকা দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। এতে ঝাঁঝালো গন্ধটা দারুণ খোলে।
গরম ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাত, বাসমতি পোলাও বা খিচুড়ির সাথে এই ঝাল ঝাল ভুনা চিংড়ি পরিবেশন করুন। বর্ষার দুপুরে লেবু ও পেঁয়াজের সাথে এর জুড়ি মেলা ভার।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News