
কুড়ি বা তিরিশের কোঠায় থাকা মেয়েদের জীবনটা যেন রোলারকোস্টার। চাকরি, সংসার, সামাজিকতা, শরীরচর্চা—সবদিক সামলাতে গিয়ে খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারটা প্রায়ই পেছনের সারিতে চলে যায়। সঠিক তথ্যের অভাব তো আছেই, তার সঙ্গে এমন কিছু সাধারণ অভ্যাস জুড়ে যায় যা আমাদের এনার্জি লেভেল এবং দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, এই বয়সের মেয়েরা সাধারণত কোন ৬টি পুষ্টি সংক্রান্ত ভুল করে থাকেন।
১. রোগা হওয়ার জন্য খাবার কমিয়ে দেওয়া
ফিট থাকার নামে সকালের ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়া, দুপুর পর্যন্ত শুধু কফির ওপর ভরসা করে থাকা, বা খাবারের পরিমাণ হঠাৎ করে অনেকটা কমিয়ে দেওয়া—এই ভুলটা অনেকেই করেন। সাময়িকভাবে এটা সহজ উপায় মনে হলেও, আসলে তা শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।
২. শুধু ক্যালোরি মেপে খাওয়া
খাবারের পুষ্টিগুণ না দেখে শুধু ক্যালোরির হিসাব করাটা আর একটি বড় ভুল। একই পরিমাণ ক্যালোরিযুক্ত দুটি খাবারের মধ্যে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন এবং মিনারেলসের পরিমাণে আকাশ-পাতাল তফাৎ থাকতে পারে।
৩. পর্যাপ্ত প্রোটিন না খাওয়া
অনেক মহিলাই দিন শুরু করেন চা বা কফি এবং কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার দিয়ে। ফলে প্রোটিন খাওয়ার সময়টা পিছিয়ে যায়। শরীরকে চনমনে ও শক্তিশালী রাখতে ডিম, পনির, দই, ডাল, সোয়া, মাছ বা মাংসের মতো প্রোটিন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি।
৪. খাবারকে 'ভালো' ও 'খারাপ' বলে দাগিয়ে দেওয়া
কিছু খাবারকে পুরোপুরি 'খারাপ' বলে বাদ দিয়ে দিলে খাওয়ার অভ্যাসটা আরও জটিল হয়ে ওঠে। পছন্দের খাবার পুরোপুরি ত্যাগ না করেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা সম্ভব।
৫. ট্রেন্ডি ডায়েট আর সাপ্লিমেন্টের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা
দৈনন্দিন খাবারের অভ্যাস ঠিক করার বদলে ট্রেন্ডি ডায়েটের পেছনে ছোটা বা শুধুমাত্র সাপ্লিমেন্টের ওপর ভরসা করাটা ভুল পদ্ধতি। মনে রাখতে হবে, সাপ্লিমেন্ট কখনওই সুষম খাবারের বিকল্প হতে পারে না।
৬. খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় না থাকা
ব্যস্ততার কারণে খাওয়ার সময় অনিয়মিত হয়ে যাওয়া এবং আগে থেকে পরিকল্পনা না করার ফলে অস্বাস্থ্যকর জাঙ্ক ফুডের ওপর নির্ভরতা বাড়ে। এই সমস্যা এড়াতে সহজ এবং পুষ্টিকর খাবার আগে থেকে তৈরি করে রাখা যেতে পারে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News