
North Bengal Tourism: সারা বছর কাজ, অফিস আর ব্যস্ততার পর পুজোর কটা দিন সবারই একটু ছুটি চাই। কেউ পছন্দ করেন প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে হই-হুল্লোড় করতে, আবার অনেকেই আছেন যাঁরা এই কোলাহল থেকে দূরে কোথাও নিরিবিলিতে দুটো দিন কাটাতে চান। আপনিও যদি দ্বিতীয় দলে পড়েন, তাহলে এবার পুজোয় ঘুরে আসতে পারেন উত্তরবঙ্গের এক লুকনো রত্ন ঝালং থেকে। ডুয়ার্সের কোলে, কালিম্পং জেলায় অবস্থিত এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম। একদিকে খরস্রোতা জলঢাকা নদী, অন্যদিকে ভুটানের নীল পাহাড় আর মাঝখানে ঘন সবুজ জঙ্গল। এখানে এলে মনে হবে, সময় যেন থমকে আছে। কোনও হর্নের আওয়াজ নেই, কোনও ট্র্যাফিক নেই, শুধু নদীর জলের শব্দ আর পাখির ডাক। ঝালংয়ের আসল আকর্ষণ হল জলঢাকা হাইডেল প্রজেক্ট এবং নদীর ধারের সৌন্দর্য। নদীর ধারে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়।
ঝালংয়ে এলে অবশ্যই দেখবেন জলঢাকা হাইডেল প্রজেক্ট। এছাড়া নদীর ধারে বসে পা ভিজিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিতে পারেন। ঝালংকে বেস করে আপনি ঘুরে নিতে পারেন বিন্দু, প্যারেন, সামসিং, সুনতালেখোলা। বিন্দুতে আছে জলঢাকা ব্যারেজ, যেটা ভারত-ভুটান সীমান্তে। এখান থেকে ভুটান পাহাড়ের ভিউ এক কথায় অসাধারণ। জঙ্গলপ্রেমীরা চাইলে চাপরামারি অভয়ারণ্য থেকে ঘুরে আসতে পারেন। ঝালং থেকে আপনি সহজেই ঘুরে নিতে পারেন বিন্দু, প্যারেন, সামসিং, সুনতালেখোলার মতো আশেপাশের অফবিট জায়গাগুলো। বিন্দুতে গেলে দেখতে পাবেন জলঢাকা ব্যারেজ, যা ভারত-ভুটান সীমান্তে অবস্থিত। আর জঙ্গল ভালোবাসলে চাপরামারি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি তো আছেই।
শিয়ালদা থেকে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসে করে নিউ মাল জংশনে নামুন। সেখান থেকে ঝালং মাত্র ৪৫ কিমি। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকেও গাড়ি ভাড়া করে আসা যায়, দূরত্ব প্রায় ৯০ কিমি। থাকার জন্য এখানে বেশ কিছু ভালো হোমস্টে এবং WBFDC-র রিসর্ট রয়েছে। জনপ্রতি খরচ পড়বে ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যে, থাকা-খাওয়া সহ। পুজোর সময় ভিড় বাড়ার আগেই এখনই বুকিং করে রাখলে ভালো, কারণ হাতে গোনা কয়েকটাই থাকার জায়গা আছে। দুটো দিনের ছোট্ট ছুটিতে মন ভালো করার জন্য ঝালংয়ের থেকে ভালো অপশন আর হতেই পারে না।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News