মহিলাদের হার্ট অ্যাটাক; এই লক্ষণগুলো একদমই অবহেলা করবেন না
গবেষণা অনুযায়ী, মহিলাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের হার বাড়ছে। এর প্রধান কারণগুলির মধ্যে রয়েছে খারাপ খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামের অভাব, ধূমপান এবং উচ্চ মানসিক চাপ। এই লাইফস্টাইল ফ্যাক্টরগুলোই মূলত ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
28
বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হার্ট অ্যাটাক।
বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হার্ট অ্যাটাক। সাধারণত ধমনীতে ফ্যাট জমে রক্ত চলাচল কমে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়। নতুন গবেষণা বলছে, মহিলাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে।
38
বুকের অস্বস্তিই সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ
মহিলাদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ অনেক সময় পুরুষদের থেকে আলাদা এবং কম স্পষ্ট হয়। বুকের অস্বস্তি সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলেও, মহিলাদের মধ্যে অনেক সূক্ষ্ম লক্ষণও দেখা যায়।
48
অনেক মহিলাই নিজের স্বাস্থ্য সমস্যা উপেক্ষা করেন
অনেক মহিলাই নিজের স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে অবহেলা করেন, চেক-আপ পিছিয়ে দেন এবং সতর্কতামূলক লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও কাজ চালিয়ে যান। এর ফলে রোগ দ্রুত ধরা পড়ে না এবং গুরুতর হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। অ্যানিমিয়া বা জরায়ুর রোগের মতো সমস্যাও ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
58
করোনারি আর্টারি ডিজিজ, মাইক্রোভাসকুলার ডিজিজ, মানসিক চাপ থেকে হৃদরোগ
অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে করোনারি আর্টারি ডিজিজ, মাইক্রোভাসকুলার ডিজিজ, মানসিক চাপ থেকে হওয়া হৃদরোগ, হরমোনের পরিবর্তন, গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস, প্রি-এক্লাম্পসিয়া এবং অতিরিক্ত ওজন।
68
অস্বাভাবিক ক্লান্তি, বুকে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব
বুকে চাপ, টাইট ভাব বা অস্বস্তি অনুভব করা অন্যতম লক্ষণ। এটি কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে বা আসা-যাওয়া করতে পারে। এছাড়াও অস্বাভাবিক ক্লান্তি, বমি বমি ভাব, চোয়াল, ঘাড়, পিঠ বা পেটের উপরের অংশে ব্যথা এবং মাথা ঘোরা প্রধান লক্ষণ।
78
সচেতনতা তৈরি করে রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি
মহিলাদের মধ্যে সঠিক সচেতনতা তৈরি করা এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করা এর মধ্যে অন্যতম।
88
হাঁটা, জগিং, সাইক্লিং বা সাঁতার হৃদয়কে সুস্থ রাখে
দৈনন্দিন রুটিনে হাঁটা, জগিং, সাইক্লিং বা সাঁতারের মতো অ্যাক্টিভিটি যোগ করুন। ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলুন। স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার খেলে অনেক রোগ দূরে রাখা সম্ভব।