
গরমকাল দরজায় কড়া নাড়ছে। আর গরম মানেই দিনরাত এসি চালানো। কিন্তু শীতকালে দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর সরাসরি এসি চালিয়ে দেওয়াটা একদমই ঠিক নয়। এমনটা করলে মেশিনের ক্ষতি হতে পারে, আবার কারেন্টের বিলও আসতে পারে আকাশছোঁয়া। তাই, এই গরমে নিশ্চিন্তে এসি চালানোর আগে যে ৫টা জরুরি বিষয় খেয়াল রাখবেন, সেগুলো দেখে নিন।
অনেকদিন বন্ধ থাকায় এসি-র ফিল্টারে প্রচুর ধুলো-ময়লা জমে। এই নোংরা ফিল্টার নিয়ে এসি চালালে ঠান্ডা কম হয় আর মেশিনের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। তাই, ফিল্টারটা খুলে ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। যদি দেখেন ফিল্টার খুব বেশি পুরনো বা নষ্ট হয়ে গেছে, তাহলে নতুন লাগিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। এতে হাওয়া চলাচল ভালো হবে, বিলও কমবে।
এসি-র যে অংশটা বাড়ির বাইরে থাকে, অর্থাৎ আউটডোর ইউনিট, সেখানে শুকনো পাতা, ধুলো আর আবর্জনা জমার খুব সম্ভাবনা থাকে। এগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে দিন, যাতে হাওয়া চলাচলে কোনও বাধা না পায়। এতে কম্প্রেসরের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমে এবং আপনার এসি-র আয়ু বাড়ে।
এসি চালানোর আগে প্লাগ, সকেট আর তারগুলো ভালো করে দেখে নিন। আপনি যদি স্টেবিলাইজার ব্যবহার করেন, তাহলে সেটাও একবার চেক করা দরকার। তার কোথাও ছেঁড়া বা আলগা কানেকশন থাকলে শর্ট সার্কিট হওয়ার ভয় থাকে। কোনও সমস্যা চোখে পড়লে ঝুঁকি না নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে একজন ভালো টেকনিশিয়ানকে ডাকুন।
এসি চালিয়ে দেখুন ঠিকমতো ঠান্ডা হচ্ছে কিনা। কোনও অদ্ভুত আওয়াজ বা জল লিক করছে কিনা, সেদিকেও নজর দিন। কারেন্টের বিল নিয়ন্ত্রণে রাখতে থার্মোস্ট্যাট ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করে রাখা সবচেয়ে ভালো। যদি ঠান্ডা কম মনে হয়, তাহলে গ্যাস কমে যাওয়া বা অন্য কোনও ভেতরের সমস্যা থাকতে পারে।
বাড়িতে এই ছোটখাটো কাজগুলো আপনি নিজেই করতে পারেন, কিন্তু বছরে একবার ডিপ ক্লিনিং-এর জন্য একজন এক্সপার্টকে ডাকা খুব জরুরি। তাঁরা গ্যাসের লেভেল পরীক্ষা করা, কয়েল পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে কম্প্রেসর ও ড্রেন পাইপ ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা, তা নিশ্চিত করবেন। এতে গরমকালে হঠাৎ করে এসি খারাপ হওয়ার চিন্তা থাকবে না।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News