উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এখন ঘরে ঘরে। এই সমস্যা হৃদপিণ্ডের উপর চাপ সৃষ্টি করে, ধমনী শক্ত করে দেয়। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা কিডনির অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। তবে ডায়েটে কিছু বদল আনলেই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনকে অবহেলা করলে চলবে না। এর কারণে হৃদপিণ্ডের উপর চাপ বাড়ে, ধমনী শক্ত হয়ে যায় এবং প্লাক জমার আশঙ্কা তৈরি হয়। সময়মতো ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ না করলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কিডনির রোগের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। আর এই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে খাবারদাবার একটি বড় ভূমিকা পালন করে।
27
শাক-সবজি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
পালং শাক, ব্রকোলি, ফুলকপির মতো সবজিতে পটাসিয়াম ভরপুর থাকে। এই পটাসিয়াম কিডনিকে সাহায্য করে মূত্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীর থেকে বের করে দিতে। প্রতিদিন ১ থেকে ২ কাপ রান্না করা সবজি খেলে শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।
37
বেরি জাতীয় ফল হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ
ব্লুবেরি বা স্ট্রবেরির মতো ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্থোসায়ানিন থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রক্তনালীর কার্যকারিতা উন্নত করে এবং ধমনীর কাঠিন্য কমায়। তাই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনার ডায়েটে বেরি রাখতেই পারেন।
বিটে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রিক অক্সাইড থাকে, যা রক্তনালীকে প্রসারিত করে ও আরাম দেয়। বিটের রসে থাকা প্রাকৃতিক নাইট্রেট শরীরে গিয়ে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়। এর ফলে রক্তচলাচল বাড়ে এবং স্ট্রেস কমে, যা ব্লাড প্রেসার কমাতে সাহায্য করে।
57
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর স্যালমন মাছ
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে স্যালমন মাছ খুব উপকারী। এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহ কমায় এবং রক্তনালীকে শিথিল করে। এছাড়া স্যালমনে পটাসিয়ামও রয়েছে, যা শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং অতিরিক্ত জলীয় অংশ জমতে বাধা দেয়।
67
রোজ বাদাম খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ব্লাড প্রেসার
নিয়মিত আমন্ড বা বাদাম খেলে রক্তচাপ, বিশেষ করে ডায়াস্টোলিক ব্লাড প্রেসার কমে। ম্যাগনেসিয়াম ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে ভরপুর হওয়ায় এটি রক্তনালীকে আরাম দেয়, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং কার্ডিওমেটাবলিক ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
77
রান্নায় রাখুন অলিভ অয়েল, সুস্থ থাকবে হার্ট
এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল (EVOO) উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দারুণ কার্যকর। এতে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পলিফেনল প্রচুর পরিমাণে থাকে। নিয়মিত অলিভ অয়েল খেলে ধমনীর কার্যকারিতা উন্নত হয়, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।