Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক নয়া কাজ করে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার পুলিশ কর্তাদের পোস্টিং নিয়েও বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে একের পর এক মাস্টারস্ট্রোক শুভেন্দু অধিকারীর। শনিবার প্রথমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অভিষেকের গড় ডায়মণ্ডহারবারে ফলতায় ভোটের প্রচারে যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে জনসভার পাশাপাশি ডায়মণ্ড হারবারের পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকও সারেন শুভেন্দু। এদিনের বৈঠকে তবে শুধু ডায়মণ্ড হারবারের পুলিশ অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন না। বৈঠকে ভার্চুয়াল ভাবে হাজির ছিলেন রাজ্যএর সমস্ত পুলিশ আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, এদিন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান এবার থেকে BNS মেনে কাজ করবে পুলিশ। যে কোনও ধরনের অভিযোগ জানানো যাবে পুলিশের কাছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী? 

এছাড়াও ডায়মণ্ড হারবারে সাংবাদিক বৈঠক থেকে তোলাবাজির বিরুদ্ধে আরও একবার সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হকার-টোটো-অটোচালকদের কাছ থেকে তোলাবাজি বরদাস্ত নয় বলে জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন যে, ''রাজনৈতিক ও পুলিশি অত্যাচারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিএনএস মেনে চলবে পুলিশ। কেউ তোলাবাজি করলে অভিযোগ জানান। মহিলা পুলিশ কর্মীদের নিজের জেলায় পোস্টিংয়ে অগ্রাধিকার।''

এদিন শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন যে, ''আগে শাসকের আইন ছিল। এখন আইনের শাসন। পুলিশের ওপর হামলা কোনও ভাবে বরদাস্ত নয়।'' পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ড ভেঙে দিলো রাজ্য সরকার।

উল্লেখ্য, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী যখন তোলাবাজি বন্ধে কড়া পদক্ষেপের কথা বলছেন তখন কয়েক শো কিলোমিটার দূরে মালদহ জেলার টোটো স্ট্যান্ডে তোলাবাজির অভিযোগ। গ্রেফতার তৃণমূল নেতা। ধৃতের নাম সাদ্দাম শেখ। শনিবার দুপুরে ধৃতকে মালদা জেলা আদালতে তোলা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের কালিয়াচকের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত সাদ্দাম শেখ কালিয়াচকের ঘড়িয়ালীচক এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কালিয়াচক টোটো স্ট্যান্ডে চালকদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করত সে। একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এরপর শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিংহ জানান, তোলাবাজির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কালিয়াচক এলাকার এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।